অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দে জড়িতদের বিরুদ্ধে এখনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি

রাজউকের অনুমোদন ছাড়া অবৈধভাবে প্লট আকারে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে জমি বরাদ্দের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দেড় বছরেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আর এজন্য কারা দায়ী তা জানতে চেয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সমপর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। অপরদিকে তেজগাঁও শিল্প এলাকাকে বাণিজ্যিক এলাকা হিসাবে রূপান্তর করার চিন্তা-ভাবনা চলছে। গতকাল রবিবার জাতীয় সংসদ ভবনে এ বিএম ফজলে করিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব কথা বলা হয়। সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, বিগত বৈঠকে যেসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল তার বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি নিয়ে সদস্যরা আলোচনা করেন। এ সময় বলা হয়, কমিটির একটি সুপারিশ গত দেড় বছরেও বাস্তবায়িত হয়নি। আর সেটি হচ্ছে রাজউকের অনুমোদিত মূল নকশায় চিহ্নিত পেট্রোল পাম্প, খেলার মাঠ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও উন্মুক্ত স্থানের জমিতে প্লট বরাদ্দ প্রদান। কমিটি রাজউকের নিকট জানতে চেয়েছে বিধি বহির্ভূতভাবে জমি প্লট আকারে বরাদ্দের সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে কি কারণে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এ বিষয়ে কমিটির আগামী বৈঠকে প্রতিবেদন দাখিল করার সুপারিশ করা হয়। কমিটির সদস্যরা দেড় বছর আগে এ সংক্রান্ত সুপারিশ থাকার পরও আজ পর্যন্ত বাস্তবায়নে বিলম্বের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছেন। অপরদিকে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও উত্তরায় অবৈধভারে গড়ে ওঠা অফিস- আদালত তেজগাঁও শিল্প এলাকায় স্থানান্তর করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। আর সেজন্য তেজগাঁও শিল্প এলাকাকে শিল্প-কাম-বাণিজ্যিক এলাকা হিসাবে রূপান্তর করা যায় কিনা তা নিয়ে প্রতিবেদন আগামী বৈঠকে কমিটিতে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়। এছাড়াও বৈঠকে ভবন নির্মাণে জায়গা-জমির অপচয় না করে ঊর্ধ্বমুখী ভবন নির্মাণের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। কমিটির সদস্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খান, হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, মো. আবদুছ ছাত্তার, আসাদুজ্জামান খান, জহিরুল হক ভুঞা মোহন, কেএম খালিদ এবং আজিজুল হক চৌধুরী বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. খোন্দকার শওকত হোসেনসহ মন্ত্রণালয় এবং সংসদ সচিবালয়ের সংপ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।