চকরিয়ায় পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে ১ ডাকাত নিহত

শনিবার রাতে চকরিয়া-পেকুয়া সড়কের চকরিয়া উপজেলার মোহছনিয়াকাটা নামক স্থানে ডাকাতের দেয়া বেরিকেডে পড়েন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বাবুল আকতারসহ সঙ্গীয় ফোর্স। এতে ডাকাত-পুলিশ বন্দুকযুদ্ধ বেধে যায়। ঘন্টাব্যাপী বন্দুক যুদ্ধে উভয়পক্ষে শতাধিক রাউন্ড গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে কুখ্যাত ডাকাত নাছির উদ্দিন (৩২) মারা যায়। সে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের উত্তর মেদাকচ্ছপিয়া এলাকার নজির আহমদের ছেলে। তার বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতি, ধর্ষণ, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ ১০টি মামলা রয়েছে। ডাকাতের গুলিতে আহত হয়েছে এক দারোগাসহ তিন পুলিশ সদস্য। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বাবুল আকতার ‘ইত্তেফাক’কে জানান, তিনি ডাকাত গ্রেফতারে পেকুয়া থানা এলাকায় যাওয়ার পথে সড়কে ডাকাতের দেয়া বেরিকেডে পড়েন। কাঠের গুঁড়ি ফেলে দেয়া বেরিকেড দেখে নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে যায় পুলিশের জীপ। ঘন কুয়াশার মধ্যে ১৫/২০ জনের ডাকাতদল সাধারণ গাড়ি মনে করে কাছে এগিয়ে আসে। পুলিশের গাড়ি দেখামাত্র ডাকাতদল গুলি ছুঁড়তে থাকে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। ডাকাতদল দ্রুত সড়কের পাশে অবস্থান নিয়ে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয়। এক পর্যায়ে গুলিবর্ষণ করতে করতে ডাকাতদল পালিয়ে যায়। তাদের গুলিবিদ্ধ এক সদস্য গুরুতর আহত হয়ে পড়ে থাকে। আহত ডাকাত নাছিরকে চকরিয়া হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু ঘটে। পুলিশ প্রায় ৪০ রাউন্ড এবং ডাকাতদল ৭০/৮০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের ৩ সদস্যও আহত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে ডাকাতদের ফেলে যাওয়া তিনটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ৪টি তাজা গুলি, ছোট-বড় ৫টি ছোরা ও মুখ বাঁধার কালো কাপড় উদ্ধার করেছে। উল্লেখ্য, পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার জনসাধারণের চলাচলের এই প্রধান সড়কটি সন্ধ্যার পরই বিপজ্জনক হয়ে উঠে। প্রায় প্রতিদিনই সড়কের এই স্থানে বেরিকেড দিয়ে ডাকাতি হয়। এক শীর্ষ ডাকাত নিহত হওয়ায় স্থানীয় জনসাধারণ সন্তোষ প্রকাশ করেন।