সীতাকুণ্ডের পাহাড়ে বৃক্ষ নিধন

সীতাকুন্ডের বাঁশবাড়ীয়া এলাকায় শুক্রবার রাত থেকে গণহারে পাহাড়ী বৃক্ষ নিধনের মহোত্সব চলছে। রবিবার পর্যন্ত আড়াই হাজারের অধিক বৃক্ষ নিধন করা হয়েছে। পাহাড়ে গাছ নিধনের ফলে জীব-বৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে। ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশের। জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে জনৈক হারুন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ওসমানের নেতৃত্বে শতাধিক লোক সীতাকুন্ড উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া পি এইচ পি ফ্যাক্টরীর পূর্বে জনৈক নজরুল ইসলামের পাহাড়ে বনায়নকৃত বিভিন্ন প্রজাতির গাছ গণহারে কাটা শুরু করে। এসময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত অস্ত্রের মহড়াও দেয়। রবিবার পর্যন্ত গাছ কাটা অব্যহত আছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এক শিল্পপতি পাহাড়টি দখল করে আবাসিক এলাকা প্লট করার জন্য এই গাছ কর্তন করছে। কর্তন করা গাছগুলো উপজেলার বাড়বকুন্ড নুরমার দিঘীর পাড় এলাকায় রাখা হচ্ছে বিক্রি করার জন্য। এদিকে পাহাড়ের মালিক দাবিদার নজরুল ইসলাম জানান, তার নিজস্ব পাহাড়টি দখল করতে বনায়নকৃত গাছ কেটে নিয়ে গেছে দুর্বত্তরা। ’৭১ সালের চিহ্নিত রাজাকার আবদুল বারেক হাফেজের পুত্র ওসমান গাছ কাটার নেতৃত্ব দিচ্ছে। গাছ কাটার প্রতিকার চেয়ে থানায় জিডি করেছেন বলে তিনি জানান। সীতাকুন্ড থানার এস আই সালাম জানান, গাছ কাটার বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তা তদন্ত করা হচ্ছে। গাছ কাটার অভিযোগে অভিযুক্ত ওসমানের ব্যবহূত (০১৮১৫৬২৭৮৯০) মোবাইলে বার বার ফোন করলেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।