এইচএসসি পরীক্ষার জীববিজ্ঞান

জীববিজ্ঞান প্রথমপত্র

প্রিয় শিক্ষার্থীরা, তোমাদের জীববিজ্ঞান প্রথমপত্রের প্রথম অধ্যায়: উদ্ভিদের বিভিন্নতার দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ভাইরাস এবং তৃতীয় পরিচ্ছেদ: কোষীয় জীব: প্রোক্যারীয়টা থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর আলোচনা করা হলো। প্রশ্ন: ভিরয়েড ও প্রিয়ন কী? উত্তর: ভিরয়েড: ভিরয়েড হলো শুধমাত্র ক্ষুদ্র RNA দ্বারা গঠিত অতি আণুবীক্ষণিক জীবাণু, যা ভাইরাসের মতই বিস্তার লাভ করতে পারে এবং জীবদেহে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে পারে। প্রিয়ন:প্রিয়ন হলো ভাইরাসের শূন্য প্রোটিন আবরণ, যা মানুষের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে পারে। এরা পোষক কোষের জিনোমে ঢুকে গিয়ে নতুন প্রিয়ন তৈরি করিয়ে নিতে পারে। প্রশ্ন: ইংরেজিতে পূর্ণ নাম লিখ: TMV, HIV, AIDS, SARS, SIV. উত্তর: TMV= Tobacco Mosaic Virus. HIV=Human Immunodeficiency Virus. AIDS=Acquired Immune Deficiency Syndrome. SARS=Severe Acute Respiratory Syndrome. SIV=Swine Influenza Virus. প্রশ্ন: T2 ব্যাকটেরিওফাযের গঠন বর্ণনা কর। অথবা, ব্যাকটেরিওফাযের ভৌত রাসায়নিক গঠন বর্ণনা কর। উত্তর: T2 ভাইরাসের দেহকে ২টি অংশে ভাগ করা যায়। যথা: ১। মাথা: মাথাটি স্ফীত ও ষড়ভুজাকৃতির এবং প্রোটিন অণু দিয়ে তৈরি। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৩ nm এবং প্রস্থ ৬৫ nm। মাথার অভ্যন্তরে দুই সূত্রবিশিষ্ট DNA প্যাঁচানো থাকে। ২। লেজ: T2 ফায ভাইরাসের মাথার নিচে একটি লেজ থাকে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১০০ nm এবং ব্যাস প্রায় ২৫ nm। লেজ ও মাথার সংযোগস্থলে একটি কলার থাকে। লেজের নিচে বেসপ্লেট, কাঁটার মত স্পাইক এবং ৬টি স্পর্শক তন্তু আছে। এগুলো প্রোটিন দিয়ে তৈরি। এতে কোষপ্রাচীর, কোষঝিল্লি, সাইটোপ্লাজম ও অন্যান্য ক্ষুদ্রাঙ্গ এবং নিউক্লিয়াস নেই। প্রশ্ন: ভাইরাসের জড় ও জীবীয় বৈশিষ্ট্যগুলো লিখ। উত্তর: ভাইরাসের জড় বৈশিষ্ট্য: ১। ভাইরাসের কোন নির্দিষ্ট কোষ নেই। ২। এদের কোষপ্রাচীর, সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি নেই। ৩। এদের জৈবিক কার্যকলাপ অপর সজীব কোষ ছাড়া ঘটে না। ৪। রাসায়নিক দিক দিয়ে ভাইরাস প্রোটিন ও নিউক্লিক এসিডের সমন্বয়ে গঠিত (নিউক্লিওপ্রোটিন) ভাইরাসের জীবীয় বৈশিষ্ট্য: ১। এদের দেহে নিউক্লিক এসিড (DNA বা RNA) আছে। ২। উপযুক্ত পোষক কোষের অভ্যন্তরে ভাইরাস বংশ বৃদ্ধি করতে পারে। ৩। এতে জেনেটিক রিকমবিনেশন ঘটতে দেখা যায়। ৪। এতে প্রকরণ সৃষ্টি ও পরিব্যক্তি ঘটতে দেখা যায়। প্রশ্ন:HIV-এর গঠন বর্ণনা কর। উত্তর: ১। এটি দেখতে গোলাকার। ২। বাইরে লিপিড বাইলেয়ার দিয়ে গঠিত একটি আবরণ রয়েছে, যাতে বহু গ্লাইকোপ্রোটিন থাকে। ৩। ক্যাপসিড (প্রোটিন আবরণ) আবরণ রয়েছে। ৪। অভ্যন্তরে এক সূত্রক RNA এবং বিভার্জ ট্রান্সক্রিপ্টেজ আছে।