ডাচ কোচরা খেলা দেখবেন আজ

ডাচ কোচ লডেইউক ডি ক্রুয়েফ এবং সহকারি কোচ রেনে কোস্তার গতকাল ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন। আজ তারা বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে পেশাদার ফুটবলে আবাহনী বিজেএমসি ম্যাচটা দেখতে যাবেন। এই ম্যাচ ছাড়াও শুক্রবার শেখ রাসেল ও শেখ জামালের ম্যাচও দেখার কথা রয়েছে কোচদের। সোমবার বিকালে ঢাকায় এসেছেন ডাচ কোচ দু’জন। লডেইউক ডি ক্রুয়েফ জাতীয় দল এবং তার ফুটবল একাডেমির দায়িত্ব পালন করবেন ক্রুয়েফের সহকারি রেনে কোস্তার। আগের দিন লম্বা সফর করে আসায় তাদের ভ্রমন ক্লান্তি ছিল। সে কারনে হয় তো গতকাল দেরি করে ঘুম থেকে উঠেছেন বেলা দুইটায়। তার আগেই বেলা ১১টা থেকে বাফুফের ন্যাশনাল টিমস কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ এবং কমিটির সদস্য আনোয়ারুল হক হেলাল রুপসীবাংলা হোটেলে পৌছান। সেখানে ছিলেন কোচদের স্বদেশী এজেন্ট। তিনি জানতে চাইছিলেন বাংলাদেশের ফুটবলারদের শারীরিক গড়ন। বিশেষ করে স্ট্রাইকারদের উচ্চতা নিয়ে কথা উঠল। আনোয়ারুল হক হেলাল হাত নিচু করে আকার ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন এখনকার স্ট্রাইকার মিঠুন, এমিলির উচ্চতা। সাথে বললেন, স্ট্রাইকার শেখ মোঃ আসলামের উচ্চতা কতটুকু ছিল। উল্লেখ করলেন কায়সার হামিদ, মোনেম মুন্নাদের শারীরিক গড়ন এবং উচ্চতা। হোটেল লবিতে বসে বাংলাদেশের ফুটবল সম্পর্কে ধারণা নিতেই সেখানে পৌছান বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন। এরপরই চারজন রুদ্ধদ্বার কক্ষে সভায় বসে গেলেন। কোচ তখনও হোটেলের ১০ তলায় রুমে ঘুমিয়ে। তার সহকারি কোচ রেনে কোস্তার জিমে গেলেন। আলোচনার এক ফাঁকে সভা কক্ষ থেকে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন দু’বার বেরিয়েছিলেন বাইরে। তার মুখমন্ডল দেখে মনে হচ্ছিল দুই পক্ষের আলোচনায় একটু ছন্দপতন হচ্ছে। প্রায় তিন ঘন্টা আলোচনার পর ডাচ এজেন্ট সভা কক্ষ থেকে বেরিয়ে কোচ দু’জনের সাথে পৃথক বৈঠক করতে অন্যত্র চলে গেলেন। ঘন্টা তিনেকের আলোচনায় চুক্তির ব্যপারে ফলপ্রসূ কিছু হয়নি। হয় তো কোচরা ভেবেচিন্তে একটা সিদ্ধান্ত জানাবেন। তাদেরকে তো সময় দিতে হবে। সভা সুত্র বলছে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের ব্যাপক উপস্থিতি তাদের পূর্ববর্তী ধারণাকে প্রভাবিত করেছে। তারা একটু সময় নিচ্ছেন সিদ্ধান্ত গ্রহনে। তবে এইটুকু জানা গেছে সন্ধ্যা পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। যে কোনো সময় আনুষ্ঠানিক চুক্তি হতে পারে। আগামিকাল ডাচ কোচদের সিলেটে ফুটবল একাডেমি পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে। একাডেমির কোচ রেনে কোস্তার যুব ফুটবলে খেলেছেন। পেশাদার ফুটবলে খেলেননি। জাতীয় দলে ছিলেন না কখনো। বললেন, তার দেশে সাত আট বছরের শিশুরা একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করে। কিন্তু এখানে আমাকে ১৪ বছরের বয়সের খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ দিতে হবে।’