মিউচুয়াল ফান্ড
বিধিমালা চূড়ান্ত
করেছে এসইসি
প্রকাশ : ০৮ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:৫৩
নগদ ও বোনাস শেয়ার ইস্যুর বিধান রেখে সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (মিউচ্যুয়াল ফান্ড) বিধিমালা ২০০১-এর সংশোধনী চূড়ান্ত করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গতকাল বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেনের সভাপতিত্বে কমিশনের ৪৬৪তম সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। বিধিমালাটি কমিশনের ওয়েব সাইটে সংযুক্ত করা হয়েছে।
সংশোধনীতে রয়েছে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মেয়াদি স্কিমের আকার বাড়ানো যাবে শুধু পুনঃবিনিয়োগের মাধ্যমে। নতুন ইউনিট ইস্যুর মাধ্যমে ফান্ডের মুনাফা বণ্টন করা যাবে বলেও চূড়ান্ত সংশোধনীতে রয়েছে। মুনাফা বণ্টনের বিষয়ে সংশোধনীতে বলা হয়েছে প্রত্যেক মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বার্ষিক হিসাব সমাপ্ত হওয়ার পর স্কিমের ইউনিট মালিকদের মধ্যে নগদ লভ্যাংশ অথবা রি-ইনভেস্টমেন্ট (বোনাস ইউনিট) অথবা উভয় অপশন বিতরণ করা যাবে। যার পরিমাণ উক্ত স্কিমের বার্ষিক লাভের শতকরা ৭০ ভাগের কম হবে না।
এর আগে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বোনাস শেয়ার দেয়ার সুযোগ ছিল না। তাই এ ধরনের বিধান সংযুক্ত করায় এ খাতে দীর্ঘদিনের মন্দাভাব কেটে উঠবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। জানা গেছে, গত ১২ সেপ্টেম্বর কমিশনের ৪৪৪তম সভায় মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিধিমালার সংশোধনীর খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়। এতে ১০টি সংশোধনীর প্রস্তাব করা হয়। সংশোধনীর খসড়া অনুমোদনের পরই মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে বড় ধরনের গতি শুরু হয়। দীর্ঘদিন ধরে এ খাতের অচলাবস্থা থেকে বেশিরভাগ মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটগুলোর দর বাড়তে শুরু করে। সংশোধনী অনুমোদনের আগে যেখানে তালিকাভুক্ত ৪১টি মিউচ্যুয়াল ফন্ডের মধ্যে ২৪টির বাজার দর ছিল ফেস ভ্যালুর নিচে সেখানে অল্প সময়ের মধ্যে অধিকাংশ ইউনিটের দর ফেস ভ্যালুর ওপরে চলে যায়। গত ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত খসড়া সংশোধনীর ওপর জনমত জরিপ যাচাই শেষ হওয়ার পর গতকাল সংশোধনী চূড়ান্ত আকারে প্রকাশ করা হয়।