জোড়া ‘ডাবলে’ নতুন রেকর্ড গড়লেন মার্শাল-মেহরাব
প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:০৬
বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে জাতীয় ক্রিকেট লিগে ৩১১ রানের পার্টনারশীপের রেকর্ড গড়া মার্শাল আইয়ুব ও মেহরাব হোসেন জুনিয়র তিন মাসের ব্যবধানে আবারো একই মাঠেই নতুন রেকর্ড গড়ে দেশের ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস রচনা করলেন এই দুই তরুণ ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় দিন শেষে মার্শাল আইয়ুব (২৫১) ও মেহরাব জুনিয়র (২০৬) অবিচ্ছিন্ন নৈপুণ্যে ওয়ালটন মধ্যাঞ্চল চার উইকেটে ৫২৮ রান তোলে ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চলের বিরুদ্ধে।
দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে যেকোন উইকেটে আগের ৪২০ রানের রেকর্ড ভেঙ্গে কাল ৪৬৯ রানে জুটি গড়ে অপরাজিত আছেন মার্শাল-মেহরাব। আগের রেকর্ডটি ছিল ঢাকা বিভাগের মার্শাল আইয়ুব ও মোহাম্মদ আশরাফুলের। ২০০৬ সালে চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম বিভাগের বিপক্ষে এই রানের রেকর্ড গড়েছিলেন আইয়ুব ও আশরাফুল। এদিন মার্শাল ফের বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন, তবে এবার তার জুটি ছিলেন মেহরাব। বিশ্বে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের যেকোন উইকেটে এটি ১২তম সর্বোচ্চ রানের জুটি। চারদিনের ম্যাচের দ্বিতীয় দিন শেষে এদের নৈপুণ্যে ওয়ালটন মধ্যাঞ্চল চার উইকেটে হাঁকায় ৫২৮ রানের বিশাল সংগ্রহ। মার্শাল আইয়ুব ২৬১ এবং মেহরাব হোসেন জুনিয়র ২০৬ রানে অপরাজিত আছেন। ঘনকুয়াশায় আলো স্বল্পতার কারণে বগুড়ার খেলাটি শুরু হয়েছে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে। আগের দিনের চার উইকেটে ২৩১ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের জন্য খেলতে নেমে শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের বোলারদের দেখে-শুনে ব্যাট চালাতে থাকেন দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান। পূর্বাঞ্চলের অধিনায়ক একের পর এক বোলার পরিবর্তন করেও কোন সফলতা পাননি। শুরুতেই সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন আগের দিন ৯৫ রানে অপরাজিত থাকা মার্শাল আইয়ুব। তার পথ ধরে সেঞ্চুরি তুলে নেন মেহরাব জুনিয়রও।
প্রতিপক্ষের বোলারদের ধারাবাহিক ব্যর্থতায় চাবিরতির আগেই ডাবল সেঞ্চুরি পেয়ে যান মার্শাল। ২৬৮ বল খেলে ২২টি চার ও তিন ছক্কায় ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করা মার্শাল অপরাজিত আছেন ২৫১ রানে। এ পর্যন্ত ৩২৩ বল খেলে ২৭টি চার ও তিনটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি। সতীর্থ মার্শালের ব্যাটিং নৈপুণ্যে উজ্জীবিত মেহরাব জুনিয়রও হাঁকান নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি। তার ৩৪৪ বলের ইনিংসে ছিল ২৫টি বাউন্ডারি ও দুই ছক্কার মার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ওয়ালটন মধ্যাঞ্চল ১ম ইনিংস: ৫২৮/৪ (মার্শাল আইয়ুব ২৫১*, মেহরাব জুনিয়র ২০৬*, সামশুর ২৩, ইলিয়াস ২০; নাবিল সামাদ ৩/১১১)।