আবাহনীকে ঠেকাতে পারেনি বিজেএমসি

আবাহনীর বিরুদ্ধে অফিস দল বিজেএমসি কেমন খেলেছে তা দু’ দলের স্কোর লাইন দেখে বোঝা যাবে না। তবে ম্যাচ হারলেও বিজেএমসির শুরুটা ছিল ভালো। আবাহনীর রক্ষণভাগ গুছিয়ে ওঠার আগেই বিজেএমসি একাধিক সুযোগ পেয়েছিল। কাজে লাগলে আবাহনীর কাছে ৩-১ ব্যবধানে হারতে হতো না বিজেএমসিকে। এই জয়ে আবাহনী উঠে যায় পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। আবাহনী সাত খেলায় ১৬, শেখ জামাল একটি কম খেলেই পেয়েছে ১৬ পয়েন্ট। বিজেএমসির অর্জন সাত খেলায় আট পয়েন্ট। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী ম্যাচের শুরুতে মাঠে সেট হতে সময় নিয়েছিল। খেলোয়াড়দের অনেকে পজিশনে দাঁড়ানোর আগেই বিজেএমসি গোলের সুযোগ তৈরি করে ফেলে। কিন্তু নিজেদের ব্যর্থতায় সে সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেনি। নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার এলিটা কিংসলে এবং আরেক স্ট্রাইকার গিনির ইসমাইলি বাঙ্গুরা দলকে বঞ্চিত করেন। এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় আবাহনী। চেনা চেহারায় ফুঁসে উঠে আবাহনী যেন বিজেএমসিকে কুপোকাত করে। দেশে শৈত্যপ্রবাহ চলছে। খোলা আকাশের নিচে বেশি সময় থাকা যায় না। হুহু করে বাতাস বইছে। তারপরও গতকাল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আবাহনী ও বিজেএমসি ম্যাচ দেখতে প্রায় কয়েকশ দর্শক গিয়েছিলেন মাঠে। আবাহনীর দরকার ছিল শীর্ষে উঠা। আর বিজেএমসির ম্যাচ জিতে ভালো অবস্থান তৈরি করা। কিন্তু সেটা পারেনি বিজেএমসি। দলটির রক্ষণভাগে অমিত খান শুভ্র, শাহনুর রনি, কেস্ত কুমার ভালো খেলতে পারেননি। গোলপোস্টের নিচে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন না এক সময়ের সেরা গোলকিপার আমিনুল। কিছুটা নার্ভাস মনে হয়েছে। তার উপর স্ট্রাইকিং পজিশনে এলিটা কিংসলে এবং ইসমাইল বাঙ্গুরা দরকারের সময়েও জ্বলে উঠতে পারেননি। খেলার ৩৩ মিনিটে তৌহিদের ক্রস থেকে শাখাওয়াত রনি গোল করেন হেডে (১-০)। দ্বিতীয়ার্ধে আবাহনী আরো দুই গোল করে। মাঝে বিজেএমসিও গোল করে ব্যবধান কমায়। ৫৩ মিনিটে প্রাণতোষের শট বিজেএমসির ডিফেন্ডারদের গায়ে গলে জালে ঢুকে যায় (২-০)। ৬৫ মিনিটে বাঙ্গুরার ক্রস থেকে কিংসলে হেড করে আবাহনীর জালে বল পাঠিয়ে আশা দেখিয়েছিলেন (২-১)। কিন্তু সে আশা পূরণ হয়নি। উইংব্যাক মিশু ডানদিকে থেকে বল ফেলেন শাখাওয়াত রনির কাছে। রনি সহজেই শট করে গোল করে দলকে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। আজকের খেলা মোহামেডান ঃ সকার ক্লাব ফেনী (বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম, বিকাল ৪টা ৩০)