নবীনগরে এক বছরে ১০০ লাশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বিগত বছরে আইন-শৃংখলার চরম অবনতি হয়েছে। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ৫ দিনে ৮ জন খুন হয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ১০০ লাশ নিয়ে বিদায় হলো ২০১২। এক পরিসংখানে জানা যায়, গত ১২ মাসে ১৯ জন খুন, দুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত, আত্মহত্যা করেছেন ৭০ জন, ডাকাতির ঘটনা ঘটে ৩টি। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে মহিলাসহ কমপক্ষে আহত হয়েছেন হাজারো লোক। জানা যায়, উপজেলার চিত্রী গ্রামে ২৫ ডিসেম্বর দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে গুতু মিয়া, মনু মিয়া (৬০), হাসান মিয়া খুন হন। পারিবারিক কলহের জের ধরে ৩০ ডিসেম্বর খুন হন থোল্লাকান্দি গ্রামের কুলসুম বেগম (৪০)। ৩১ ডিসেম্বর পারিবারিক সম্পত্তির দ্বন্দ্বে খুন হন গোপালপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত আব্দুর রউফের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৫৫)। পূর্ব শত্রুতায় গত ২৮ ডিসেম্বর বিদ্যাকুট এলাকার একটি খালে ওয়ারুক গ্রামের মৃত ছিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মজনু মিয়াকে (৫৫) খুন করে ফেলে রাখা হয় । ৬ ডিসেম্বর ব্যবসায়ী শ্রীরামপুর গ্রামের শামীম মিয়ার (১৮) লাশ ধান ক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়। ১২ নভেম্বর ভোলাচং আন্দার বিল থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্বার করা হয়। গত ৬ নভেম্বর দুর্বৃত্তরা শ্রীরামপুর গ্রামের মোটর সাইকেল চালক কামরুল হাসান অপু মিয়াকে (২৩) খুন করে। ৩ অক্টোবর রাতে ইব্রাহিমপুর গ্রামে সৌদিআরব প্রবাসী শফিক মিয়া স্ত্রীর হাতে খুন হন। ৩০ সেপ্টেম্বর কৃষ্ণনগর গ্রামে চাচাত ভাইদের হাতে আউয়াল খান (৪৫) নিহত হন । ২৫ মে অজ্ঞাতনামা এক যুবকের লাশ নদী থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। ১৯ মে কান্দী গ্রামে একশিশুকে ডাকাতরা হত্যা করে । ১১ মে মেরকুটা গ্রামে সত্ মায়ের হাতে এক শিশু খুন হয়। ২৫ মার্চ রাতে মাঝিকাড়া গ্রামের মনির হোসেন মাদক ব্যবসার ভাগভাটোয়ারা নিয়ে সহকর্মীদের হাতে খুন হন। ৪ মার্চ ভৈরবনগর গ্রামে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ইয়াসিন মিয়া খুন হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারী বিটঘর গ্রামে জয়নাল মিয়া নামে এক যুবককে হত্যা করে দুর্বৃওরা। ২৯ জানুয়ারি শাহপুর গ্রামের আজিজুর রহমানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।