রফিকুল হত্যা তদন্তে কোন অগ্রগতি নেই

ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার আনন্দনগর গ্রামের শ্বশুর বাড়ি থেকে র্যাব পরিচয়ে ঢাকা সিটি ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম অপহরণ ও হত্যা ঘটনার তদন্তে কোন অগ্রগতি নেই। পরিবারের লোকজন এখনও আতংকের মধ্যে আছে। বাড়িতে বর্তমানে নিহতের নানী শাশুড়ি লুত্ফুন্নেছা রয়েছেন। শনিবার রাত সাড়ে ৭টায় র্যাব পরিচয় দিয়ে ৭-৮ জন কালো পোশাকধারী ব্যক্তি বাড়িতে ঢুকে রফিকুল ইসলামকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ঘটনার খানিকক্ষণ পর ঝিনাইদহ থেকে র্যাবের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে। তারা রফিকুলের বড় ভায়রা সাইদুর রহমান ও গাড়ির ড্রাইভার আমির হোসেনকে ঝিনাইদহ র্যাব ক্যাম্পে নিয়ে যায়। রাত সাড়ে ৩টার দিকে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। র্যাব ঝিনাইদহ ক্যাম্প কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার হামিদুল হক জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নয়, অপহূত ব্যক্তিকে উদ্ধারে সহায়তার জন্য রাত ১২টার দিকে তাদের ক্যাম্পে আনা হয়। তারপর কুমারখালী উপজেলার আদাবাড়ে গ্রামে একটি লাশ পাওয়া গেছে এ খবর পাওয়ার পর তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। হত্যাকাণ্ড ঘটার ৬ দিন পেরিয়ে গেলেও থানাতে মামলা হয়নি।