ক্ষুব্ধ আর্সেনাল সমর্থকরা!
প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০১৩, ২০:১৭
আর্সেনাল ম্যানচেস্টার সিটি ম্যাচে টিকেটের দাম বাড়ানোর কারণে আর্সেনালের ক্ষুব্ধ সমর্থকদের একাংশ এবার চিঠি দিয়েছে আর্সেনালের প্রধান নির্বাহী ইভান গাজিডিসকে। টিকেটের এই বর্ধিত দামের ব্যাপারে তার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সমর্থকরা।
আগামী রবিবারে এমিরেটস স্টেডিয়ামে প্রিমিয়ার লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে দুই প্রিমিয়ার লিগ জায়ান্ট আর্সেনাল এবং ম্যানচেস্টার সিটি। তবে ম্যাচের আগে মাঠের চেয়ে মাঠের বাইরের সংবাদ নিয়েই আলোচনা হচ্ছে বেশী। ঘটনা শুরু হয় যখন ম্যান সিটি ম্যাচে তাদের জন্য বরাদ্দ টিকেটের মধ্যে প্রায় ১০০০ টিকেট বিক্রি করতে না পেরে আর্সেনালকে ফেরত দেয়।
ম্যান সিটি সমর্থকেরা বাড়তি দামের কারণে টিকেট কিনতে রাজি হয়নি । সফরকারি দলের সমর্থকদের জন্য সাধারণ শ্রেণীর টিকেটের দাম নির্ধারণ করা হয় ৬২ পাউন্ড যা কিনা প্রিমিয়ার লিগ তো বটেই অন্য যে কোন দেশের এই শ্রেণীর টিকেটের দামের তুলনায় বেশী। টিকেটের দাম বাড়ানো হয়েছে আর্সেনালের নিজেদের সমর্থকদের জন্যও। আর আর্সেনাল কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে আর্সেনাল সমর্থকরা।
২০১০ সালে ব্লাক স্কার্ফ মুভমেন্টে অংশ নেয়া আর্সেনাল সমর্থকদের একাংশ এ ব্যাপারে গত নভেম্বরেই জানিয়েছে প্রতিবাদ। আর এ সপ্তাহে তারা লিখিত প্রতিবাদ পাঠিয়েছে আর্সেনালের প্রধান নির্বাহী ইভান গাজিডিসকে। চিঠিতে তারা লিখেছে, ‘মনে হচ্ছে গত বছর টিকেট ব্যবস্থায় যে পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে তা এই বছর পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই মৌসুমের শুরু থেকেই গভীর হতাশার সাথে আমরা টিকেটের এই নতুন মূল্য কাঠামো পর্যবেক্ষণ করে আসছি। অনেকেই মনে করছে তারা এক হাতে টিকেট দিচ্ছে আবার অন্য হাতে ফিরিয়ে নিচ্ছে। ছোট ম্যাচগুলোর জন্য তারা যে হ্রাসকৃত দামে টিকেট ছাড়ছে এ ব্যাপারটাকে আমরা স্বাগত জানাই। তবে আমাদের মনে হয় আপনার এমন একজন সমর্থককে খুঁজে পেতে কষ্ট হবে যে কিনা এ ক্যাটাগরি (৬২ পাউন্ড থেকে ১২৬ পাউন্ড) টিকেটের দামকে যথোপযুক্ত মনে করবে।’
তবে ইভান গাজিডিস মনে করেন গানারদের টিকেট বিক্রির পদ্ধতি ঠিকই আছে। আর তারা সমর্থকদের এখনো কম দামেই খেলা দেখার সুযোগ করে দিচ্ছেন।
সমর্থকদের এই চিঠির আগেই টিকেটের এই বাড়তি দাম নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ককে প্রশমিত করতে গানার প্রধান নির্বাহী বলেন, ‘আমরা দেখছি ক্রিড়াঙ্গনের সর্বক্ষেত্রেই এখন টিকেটের দাম বাড়ছে। এটা শুধুই ফুটবলের ক্ষেত্রে ঘটছে না। আপনি যদি বিনোদনের বিভিন্ন ক্ষেত্রগুলোর দিকে তাকান তাহলে দেখতে পাবেন গত কয়েক বছরে সব জায়গাতেই ঘটেছে মূল্য বৃদ্ধির ঘটনা। পরিষ্কারভাবেই বোঝা যাচ্ছে দর্শকরা সব জায়গাতেই অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে।’