জয়পুরহাটে আগাম আলু বিক্রিতে বিঘাপ্রতি লাভ কুড়ি হাজার টাকা

মৌসুমের শুরুতে রোপণ করা আলু গাছের বয়স ৯০ দিন না হলেও বাজারে বর্তমানে আলুর বাম্পার মূল্য পেয়ে আগাম আলু বিক্রি করছে জয়পুরহাটের কৃষকরা। এতে ফলন কম হলেও বিঘাপ্রতি (৩৩ শতাংশ) পনের থেকে কুড়ি হাজার টাকা লাভ হওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। তবে মূল্য বেশি পেলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই অধিকাংশ কৃষক আলু বিক্রি করায় জেলায় এবার শতকরা চল্লিশ ভাগ আলুর উত্পাদন কমে যেতে পারে এমন আশঙ্কা হিমাগার মালিক ও আলু ব্যবসায়ীদের। আর কৃষকদের দাবি, ধানে লোকসানের পর আলুর মূল্য বেশি পেয়ে ঝুঁকি না নিয়ে ৬০ দিনেই তারা ক্ষেতের আলু বিক্রি করছেন। জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত রোপা আমন ধানে লোকসান গুনলেও জেলার এবার কৃষকরা ৩৮ হাজার ৫৭০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ করেছেন। যেখান থেকে ৭ লাখ ৩ হাজার ৫৮৭ মেট্রিক টন আলু উত্পাদনের আশা করছে কৃষি বিভাগ। গত ডিসেম্বর মাসে উত্পাদিত প্রতিমণ আগাম আলু কৃষকরা বিক্রি করেছেন সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা মণদরে। কিন্তু নতুন বছর শুরু হওয়ার পর আলুর দাম বাড়তে থাকে। ৭০০ টাকার আলু বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৯০০ থেকে সর্বোচ্চ হাজার টাকা মণদরে।