স্বামী বিবেকানন্দের দর্শনে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রীর বন্ধন দৃঢ়তর হবে
প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:৫২
পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, স্বামী বিবেকানন্দের জীবনবাদী দর্শন ও ভাবনা প্রচারিত হলে বাংলাদেশ ও ভারতের মৈত্রীবন্ধন আরও দৃঢ় হবে। গতকাল শনিবার রাজধানীতে স্বামী বিবেকানন্দের সার্ধশততম জন্মবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী একথা বলেন। বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন ঢাকা ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ।
দীপু মনি বলেন, ধর্মনিরপেক্ষ, অসামপ্রদায়িক ও প্রগতিশীল মানুষ হতে হলে যে শিক্ষার প্রয়োজন, তা সোয়া’শ বছর আগে উপলব্ধি করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। নারীর উন্নয়ন ছাড়া অবিভক্ত ভারতের উন্নয়ন যে সম্ভব নয় একথাও বিবেকানন্দ গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলেন। নিজের ধর্মে অধিষ্ঠিত থেকেও অন্যের ধর্মের প্রতি যে শ্রদ্ধাশীল হওয়া যায়, সে শিক্ষা আমরা স্বামীজী থেকে গ্রহণ করতে পারি বলেও মন্ত্রী উল্লে¬খ করেন ।
অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ বলেন, স্বামীজী শুধু ভারতের নন, বিশ্বের সন্তান। তাঁর অমূল্য বাণী ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রবিশেষের জন্য নয়, সমগ্র মানবের কল্যাণেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের বেলুড় মঠের রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের সহ-সাধারণ সম্পাদক স্বামী বলভদ্রানন্দ। ঢাকা রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী অমেয়ানন্দের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা দেন সিলেট রামকৃষ্ণ মিশন ও আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী চন্দ্রনাথানন্দ। অনুষ্ঠানের শুরুতে নজরুল সঙ্গীত ‘জয় স্বামী বিবেকানন্দ, জয় স্বামী বিবেকানন্দ সন্ন্যাসী বেশে...’ গানটি পরিবেশন করেন শিল্পী খায়রুল আনাম শাকিল। সাংস্কৃতিক পর্বে নৃত্য পরিবেশন করে নৃতাঞ্চল এবং স্বামী বিবেকানন্দের গাওয়া গান পরিবেশন করেন দু’দেশের শিল্পীরা।