ফেব্রুয়ারির পর আমিরাতে শ্রম বাজার খুলছে

ফেব্রুয়ারির পর সংযুক্ত আরব আমিরাতে শ্রমবাজার খুলছে। বিদেশি শ্রমিকের মধ্যে ভারসাম্য আনতে দেশটি শ্রমিক আমদানি বন্ধ রেখেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি গতকাল রবিবার এক সেমিনারে আরো বলেন, কিছুদিন আগেও প্রতি মাসে ৩৫ হাজার শ্রমিক আরব আমিরাতে যেত। বাজারটি আবার খুললে স্বাভাবিক নিয়মে শ্রমিক যাবে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল এন্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাজিড (বিস) গতকাল ‘বাংলাদেশের জনশক্তি রফতানি : ধারা, সম্ভাবনা ও বিবেচনাসমূহ’ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করে। বিস মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মুহাম্মদ ইমরুল কায়েসের সভাপতিত্বে সেমিনারে ধারণাপত্র উত্থাপন করে প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. মাহফুজ কবির। রিসার্চ ফেলো আবু সালেহ মোহাম্মদ ইউসুফ, রাজিয়া সুলতানা, রিসার্চ অফিসার মুহিবুর রহমান ও নাজমুল আরফিন প্রমুখ আলোচনা করেন। অভিবাসন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রেখে অব্যবস্থাপনা-প্রতারণা দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে বাংলাদেশের জনশক্তি খাত বর্তমান অবস্থানে পৌঁছেছে। এখন দেশের পাঁচ শতাংশ মানুষ প্রবাসে কাজ করছে যাদের পাঠানো রেমিটেন্স মোট জাতীয় প্রবৃদ্ধিতে (জিডিপি) ১০ শতাংশ অবদান রাখছে। ডা. দীপু মনি বলেন, জনশক্তি খাতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিদেশি মিশনসমূহের সমন্বয়হীনতা বর্তমান সরকার কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করছে। আর্থিক মন্দা কাটিয়ে উঠায় মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জনশক্তি পাঠানোর নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে দীপু মনি বলেন, পূর্ব ইউরোপ ও মধ্য এশিয়া বাংলাদেশের জনশক্তির জন্য একটি সম্ভাবনাময় বাজার। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে নিরাপদ ও সম্মানজনক অভিবাসনের জন্য সঠিক পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়ন প্রয়োজন।