তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই
প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:৫৮
আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী সংশোধিত সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ায় কোনো সুযোগ নেই। সংবিধানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কর্তৃক সরকার পরিচালনা করার কথা উল্লেখ রয়েছে। তাই অনির্বাচিত সরকারে ধারণা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি বলেন, সংবিধান মানতে হবে। যে কোনো আইন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে তা বাতিল হয়ে যাবে। তথ্য অধিদপ্তরে আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চার বছরের সাফল্য নিয়ে গতকাল রবিবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আইনমন্ত্রী একথা বলেন। সম্মেলনে আইন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপিসহ মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সুপ্রিম কোর্ট বাতিল ঘোষণা করেছে। এ পদ্ধতি আর সংবিধানে ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।
সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইন প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুলের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত চলছে। তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভুল প্রমাণিত হলে ওই মামলা বাতিল হয়ে যাবে। তদন্তের আগে এ বিষয়ে আর বেশি কিছু বলা যাবে না। তিনি বলেন, যখনই রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত হয়ে হয়রানিমূলক কোনো মামলা করা হবে, তখনই ক্ষমতাসীন সরকার সেসব মামলা প্রত্যাহার করবে। তবে বর্তমান সরকার কারো বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা করেনি বলে তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, বিগত চারদলীয় জোট সরকারের সময় আওয়ামী লীগ নেতা সাবের হোসেন চৌধুরীর নামে থালা চুরির মামলা, মুনতাসির মামুন, শাহরিয়ার কবীরসহ অসংখ্য মানুষের নামে মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছিল।
সম্মেলনে জানান হয়, দেশের আদালতগুলোতে প্রায় ২০ লাখ মামলা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছে। বর্তমান সরকারের আমলে মোট ২০২ টি আইন ও ২৩টি অধ্যাদেশ পাস করা হয়েছে। এছাড়া বিগত ৪ বছরে ৪৬ হাজার ৭৩৭ জনকে সরকারি খরচে আইনি সহায়তা প্রদান এবং একই সময়ে ১৮ হাজার ৫৫টি মামলা এই সহায়তার আওতায় নিষ্পত্তি হয়েছে।