ট্রেন যাত্রীর বিড়ম্বনা

আমি ট্রেনের একজন নিয়মিত যাত্রী। ঢাকার কমলাপুর থেকে জয়দেবপুর যাবার পথে আমি নানা সমস্যার সম্মুখীন হই। প্রধান সমস্যা হচ্ছে টিকেট করা। যাত্রী বেশি, কাউন্টার কম। ফলে লম্বা লাইন লেগেই থাকে। ট্রেন ছাড়ার সময় হয়ে যায়। টিকেট করা যায় না। তখন বিনা টিকেটে ট্রেনে উঠে পড়তে বাধ্য হয় যাত্রীরা। এরপর ৪০ টাকা ফাইন দিয়ে টিটিই-র কাছ থেকে টিকেট কিনতে হয়। অর্থাত্ শুধু অব্যবস্থাপনার কারণেই যাত্রীদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। অগ্রিম টিকেট করতে গেলেও এক সঙ্গে কয়েকদিনের টিকেট দিতে চান না বুকিং ক্লার্করা। অনেকেই দুর্ব্যবহার করেন। বেশি টাকা দিলে টিকেট দেন। এমনকি প্রাইভেট সেক্টরে দেয়া জামালপুর কমিউটার ট্রেনের টিকেটও ঘুষ ছাড়া সহজে মেলে না। রেলের লোকবল সংকট যেহেতু সহজে দূর হবে না, তাই যে কোনো স্টেশন থেকে যে কোনো গন্তব্যের উভয়মুখী টিকেট বিক্রির ব্যবস্থা সত্বর চালু করলে টিকেট কেনার জন্য হয়রানি থেকে যাত্রীরা রক্ষা পাবেন। ফাইন সিস্টেম বাতিল করলে অনেকেই টিটিই-র কাছ থেকে টিকেট করেও সহজে যাতায়াত করতে পারেন। তাহলে টিটিই-দের ঘুষ দেয়ার প্রবণতাও কমে যাবে। ফলে যাত্রী ও সরকার উভয়েই উপকৃত হবেন। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বাবুল হোসেন, বিলাসপুর, জয়দেবপুর, গাজীপুর