লালমনিরহাটে গলদা
চিংড়ি চাষে সাফল্য
লালমনিরহাট প্রতিনিধি ও আদিতমারী সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:১১
পুকুরে কার্ব জাতীয় রুই-কাতলা চাষের পাশাপাশি একই পুকুরে গলদা চিংড়ি চাষ করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার উত্তর ঘনেশ্যাম গ্রামের মত্স্যচাষী আবুল কালাম আজাদ। উপজেলা মত্স্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, কালীগঞ্জ উপজেলা মত্স্য দপ্তরের আওতায় ইউনিয়ন পর্যায়ে মত্স্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় আবুল কালাম আজাদ প্রাথমিকভাবে ৫শ’ গলদা চিংড়ি পোনা গতবছরের জুলাই মাসে তার পুকুরে চাষ করেন। মাত্র ৫ মাসের ব্যবধানে তিনি গলদা চিংড়ি চাষ করে তা বাজারে বিক্রি করে লাভবান হন।
মাত্র ১৬ শতাংশ জমির পুকুরে অন্যান্য মাছ চাষের পাশাপাশি এবছর তিনি শুধু ওই পুকুর থেকে গলদা চিংড়ি বিক্রি করে পেয়েছেন ১৫ হাজার টাকা। মত্স্যচাষী আবুল কালাম আজাদ আরও জানান, পুকুরের মিঠাপানিতে চিংড়ি চাষ হয় প্রথমে তিনি বিশ্বাস করতে পারেননি।
তবে নিজের পুকুরে এই প্রথম গলদা চিংড়ি চাষ করে এলাকার সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। আর এলাকায় মত্স্যচাষীদের মাঝে গলদা চিংড়ি চাষে আগ্রহ বেড়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা নূরুজ্জামান খান বলেন, প্রথম অবস্থায় উপজেলা পরিষদের পুকুরে গলদা চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়। এরপর এর প্রসারের জন্য কাকিনা এবং উত্তর ঘনেশ্যাম এলাকার দু’জন মত্স্যচাষীর মাধ্যমে পুকুরে গলদা চিংড়ির চাষ করান। এতে চাষীরা লাভবান হওয়ায় আগামীতে এ অঞ্চলে ব্যাপকহারে গলদা চিংড়ির চাষ হবে বলে তিনি আশা করেন।