নাগরপুরে বিএনপির
দুটি কার্যালয়
মোঃ মন্টু মিয়া, নাগরপুর (টাঙ্গাইল)
প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:২২
নাগরপুরে বিএনপি তিন ভাগে বিভক্ত। বিএনপির রয়েছে দুটি কার্যালয়, দুই কার্যালয়ের মাধ্যমে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করা হচ্ছে। দলীয় সূত্রে জানা যায়, নাগরপুর উপজেলা বিএনপির সবশেষ সম্মেলন হয় ১৯৯৭ সালে। দীর্ঘদিন পর ২০০৯ সালে জেলা কমিটি উপজেলা কমিটি ভেঙ্গে এ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তীকে আহবায়ক করে। এদিকে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের আগামী সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে কে হচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী এ নিয়েও এখানে রয়েছে নানা জল্পনা কল্পনা। নাগরপুরে বিএনপিসহ অঙ্গ সংগঠনের কমিটি না থাকায় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রবিউল আওয়াল লাভলুর সহযোগিতায় যুবদল, কৃষকদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, জাসাস পূর্ণাঙ্গ কমিটি করে। অপরদিকে সাবেক প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী বলেন, এসমস্ত কমিটির কোন বৈধতা নেই। বর্তমানে বিএনপিতে যোগদানকারী কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক মন্ত্রী নূর মোহাম্মদ খান তার কর্মী বাহিনী নিয়ে বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশ চালিয়ে যাচ্ছেন। আগামী সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে মনোনয়ন পাওয়ার আশায় জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন। সাবেক মন্ত্রী নূর মোহাম্মদ খান ১৯৭৯ সালে বিএনপি ১৯৮৬-৮৮ সালে জাতীয় পার্টি থেকে এমপি নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করে এ আসন থেকে পরাজিত হন। সাবেক প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী এ আসনে আবারো প্রার্থী হবেন। এ লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। দল মনোনয়ন দিলে এ আসন থেকে নির্বাচন করবেন বলে জানান। পথসভা ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে। আরোও মনোনয়ন পেতে আগ্রহী জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি জেলা বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ ইউসূফ আলী, জেলা বিএনপির উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য মোঃ হাবিবুর রহমান(হাবিব বক্স) প্রমুখ। উল্লেখ্য, স্বাধীনতার পর থেকে এ আসনটি বিএনপির দখলে থাকলেও গত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শুধু অভ্যন্তরীণ দলীয় কোন্দল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার আব্দুল বাতেনের কাছে ৮৮ হাজার ৭শ’ ৯৯ ভোটের ব্যবধানে বিএনপির প্রার্থী এ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী পরাজিত হন।