সময়ের সাথে তালমিলিয়ে চলার জন্য প্রফেশনাল ডিগ্রি
প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০১৩, ২০:৩৪
বিশ্বায়নের জোয়ারে প্রতিনিয়তই পাল্টে যাচ্ছে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট। বিশেষ করে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা ও এর উপযোগিতা সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হওয়ার ফলে সেই পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। আমাদের অর্থনীতির আকারও দিন দিন প্রসারিত হচ্ছে। সেই সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ছে বহির্বিশ্বের সঙ্গে। গতি এসেছে অভ্যন্তরীণ ব্যবসা-বাণিজ্যে। ফলে চাহিদা বেড়েছে ব্যবসা ও বাণিজ্য বিষয়ে পড়ালেখার। আর তারই ফলশ্রুতিতে সময়ের অন্যতম চাহিদাপূর্ণ ডিগ্রিতে পরিণত হয়েছে এমবিএ। প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সকল যোগ্যতা অর্জিত হয় এই ডিগ্রি গ্রহণের মাধ্যমে। এই ডিগ্রীিধারীদের চাকরির ক্ষেত্র প্রসারিত হচ্ছে খুব দ্রুত। ব্যাংক, বীমা, এয়ারলাইন্স, টেলিকম, রিয়েল এস্টেট, এনজিও, প্রাইভেট কোম্পানি, কর্পোরেট অফিস—সব প্রতিষ্ঠানেই এক্সিকিউটিভ ও ম্যানেজারিয়াল পদে চাকরির জন্য এখন এমবিএ ডিগ্রি চাওয়া হচ্ছে। আর তাই সকলেও এমবিএ ডিগ্রি নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
এমবিএ মানে মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। বাণিজ্য অনুষদের অধীনে এমবিএ পড়ানো হলেও এটি মূলত মাল্টিডিসিপ্লিনারি একটি কোর্স । ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য যা প্রয়োজন, তার সবকিছুই পড়ানো হয় এতে। ফিন্যান্স, ব্যাংকিং, বিপনন, ব্যবস্থাপনা, হিসাবরক্ষণ, মানব সম্পদ ব্যবস্থপনা, পর্যটন ও হোটেল ব্যবস্থাপনা প্রভৃতি বিষয়ে এমবিএ করা যায়। এ ক্ষেত্রে সাধারণত একটি বিষয়কে মেজর বা প্রধান হিসেবে বেছে নিতে হয়। মেজর কোর্সটিকে প্রাধান্য দিয়ে পড়ানো হলেও অন্য বিষয়গুলোও পড়ানো হয় এমবিএতে। এমবিএ’র জন্য সাধারণত দুই ধরনের প্রোগ্রাম রয়েছে—রেগুলার এমবিএ এবং এক্সিকিউটিভ এমবিএ। নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য রেগুলার এমবিএ ও চাকরিজীবীদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এক্সিকিউটিভ এমবিএ।
বাংলাদেশে যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান মানসম্মত এমবিএ ডিগ্রি প্রদান করে আসছে, তাদের মধ্যে অন্যতম একটির নাম ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি। ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষায় শিক্ষিত জনবল তৈরি করে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়। ইর্স্টান ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুুরী কমিশন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত ইর্স্টান ইউনিভার্সিটির প্রধান ক্যাম্পাস ধানমন্ডি আবাসিক এলাকায় ৩নং রোডে অপেক্ষাকৃত শান্ত পরিবেশে অবস্থিত। এখানে উচ্চশিক্ষার অনুকূল পরিবেশ তো রয়েছেই, সাথে রয়েছে নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকমণ্ডলীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান। এখানকার পাঠ্যক্রম, পাঠ্যসূচী, পাঠদান পদ্ধতি, অবকাঠামো—সবকিছুই আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে সক্ষম। ৯৬৭১৯২৫, ০১৭৪১৩০০০০২, ০১৮২৩৬৬০৮৩৩ নম্বরগুলোতে ফোন করে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি এবং এখানকার পড়ালেখা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পারবেন।
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য এবং বোর্ড অফ গভর্নস-এ যারা আছেন, তারা সকলেই বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং শিক্ষানুরাগী। এখানকার এমবিএ কোর্সের শিক্ষকবৃন্দের সবাই পিএইচডি ডিগ্রিধারী। অপেক্ষাকৃত শান্ত ও মনোরম পরিবেশে অবস্থিত এই ক্যাম্পাস। রয়েছে সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, পরিচ্ছন্ন এসি ক্লাসরুম। আরও রয়েছে ডিবেটিং ক্লাব, কালচারাল ক্লাব, স্পোর্টস ক্লাব, ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনসহ নানা ধরনের সহশিক্ষা কার্যক্রম। এখান থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করে এখন অনেকেই সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় সব পদে চাকরিরত রয়েছেন।
ভর্তি সেশন :স্প্রিং, সামার ও ফল—এই তিনটি সেশনে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হওয়া যায়। রেগুলার এমবিএ করার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি এবং এক্সিকিউটিভ এমবিএ’র ক্ষেত্রে এর সাথে দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হবে। যোগাযোগ :বাড়ী-২৬, রোড-০৫, ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা-১২০৫।