শান্তিবাহিনী ও আলবদর সদস্যরা আমার দাদাকে হত্যা করে

জামায়াত নেতা আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের ১২তম সাক্ষী চিত্তরঞ্জন সাহা (৮০)। মঙ্গলবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ দেয়া জবানবন্দিতে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ১৩ মে সকালে একটি খোলা জিপে করে আমার দোকানের সামনে দিয়ে কিছু লোক বোর্ড অফিসের দিকে যাচ্ছিলো। জানতে চাইলে তারা জানায়, মাচ্ছর ইউনিয়নে শান্তি কমিটি গঠিত হবে। এজন্য ফরিদপুর থেকে শান্তি কমিটির লোক আলী আহসান মুজাহিদ, আফজাল উকিল, আলাউদ্দিন খাঁ, কালু বিহারীসহ আরো কিছু লোক বোর্ড অফিসে যাচ্ছে। ওই দিন বিকালে শান্তিবাহিনী, বিহারী ও আলবদরের লোকেরা বাগচরে আমাদের হিন্দুপল্লীতে যায়। পরে খবর পেলাম আমাদের বাগচরের অনেক লোককে তারা মেরে ফেলেছে। তিনি বলেন, বাগচরে থাকা আমার বড় ভাইয়ের খবর জানার জন্য বাড়ির কাছে পৌঁছালে দাদাকে হত্যা করা হয়েছে বলে বৌদি জানান। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি ৮/১০ জন লোকের লাশ পড়ে আছে। জবানবন্দি শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবী মুন্সি আহসান কবীর তাকে জেরা শুরু করেন। জেরা অসমাপ্ত অবস্থায় মামলার কার্যক্রম আজ ১৭ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।