বাঁশখালী ইকো পার্কে পাখি ও পর্যটকের ভিড়
বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:১৩
দক্ষিণ চট্টগ্রামের অন্যতম পর্যটন স্পট বাঁশখালী ইকোপার্কে বিনোদনপ্রেমীদের ভিড় লেগেছে। সুদূর সাইবেরিয়া থেকে আগত অতিথি পাখিদের কলকাকলি এবং বিনোদনপ্রেমীদের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে এ ইকোপার্ক। দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকরা বাঁশখালী ইকোপার্কে এসে ভিড় জমাচ্ছেন। একদিকে গান-বাজনা অন্যদিকে অতিথি পাখির কলতান সব মিলিয়ে বাঁশখালী ইকোপার্ক বেশ জমে উঠেছে বিনোদনপ্রেমীদের পদচারণায়। তবে পর্যটকদের জন্য পর্যাপ্ত খাবারের দোকান না থাকায় খাবার খেতে বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে তাদের। রাঙ্গুনিয়ার শিলক থেকে বেড়াতে আসা শুভ্রা বলেন, পার্কে এসে সবাই অবশ্যই আনন্দিত। তবে খাবার দোকানসহ প্রসাধনীর আরো দোকান থাকলে ভাল হতো। চট্টগ্রাম থেকে বেড়াতে আসা হিরু বলেন, সুযোগ-সুবিধা বাড়ালে এখান থেকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় করতে পারতো। বিশাল পার্ক জুড়ে পর্যটকদের ছুটাছুটি এবং অতিথি পাখির কলকাকলিতে বাঁশখালী ইকোপার্ক এ ঈদে এক নতুন মাত্রা পেয়েছে। এই ব্যাপারের বাঁঁশখালী ইকোপার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুস্তফা কামাল বলেন, আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। বিনোদনপ্রেমীদের যথাযথ সুযোগ-সুবিধা দেয়া জন্য। পার্কের ইজারাদার সাংবাদিক উজ্জ্বল বিশ্বাস বলেন, বর্তমানে এ পার্কে আগত পর্যটকদের সর্ব প্রকার নিরাপত্তা থেকে শুরু করে বাড়তি বিনোদনের ব্যবস্থা থাকায় পর্যটকরা নিশ্চিন্তে আনন্দ উপভোগ করছেন। ২০০৮ সালের আগস্ট মাসে প্রলয়ঙ্করী এক বন্যায় ইকোপার্কের বেশ কিছু স্থাপনা বিলীন হয়ে যায়। বর্তমানে বাঁশখালী ইকোপার্ক সবুজ বনানীতে অনিন্দ্য সুন্দর রূপ ধারণ করেছে। উল্লেখ্য, সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আলহাজ্ব জাফরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি ২০০৩ সালে এ ইকো পার্কটি প্রতিষ্ঠা করেন।