লালমনিরহাট ডাকঘরে অন্তহীন সমস্যা
প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:৪৫
জেলা ডাকঘরে নানাবিধ সমস্যার দরুন চিঠিপত্রাদি বিতরণে বিলম্ব ও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। সুদীর্ঘ ৭ বছরে এই ডাকঘরের সঞ্চয় ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের দায়েরকৃত মামলার কোন অগ্রগতিও নেই। ফলে সাময়িক বরখাস্তকৃত ৭ কর্মচারীর শূন্যপদ থেকেই যাচ্ছে।
এই ডাকঘরটির অধীন ৭ বর্গকিলোমিটারে বসবাসকারীর জন্য সটিং করতে দুপুর ১টা বেজে যায়। বাকি ৩ ঘণ্টায় ২ জন পোস্টম্যানের পক্ষে আওতাধীন এলাকায় ৪/৫ শ’ চিঠিপত্রাদিসহ অন্যান্য দ্রবাদি বিতরণ করা সম্ভব হয় না। তাছাড়া চাকরির ইন্টারভিউ কার্ড আসে ৫/৭ শ’। ফলে ২ জন পোস্টম্যানকে হিমশিম খেতে হয়। সঠিক সময়ে বিতরণ সম্ভব হয় না। অনেক ক্ষেত্রে প্রাপককে পোস্ট অফিসে এসে চিঠিপত্র গ্রহণ করতে হয়।
২০০৫ সালে জেলা ডাকঘরে সঞ্চয় ব্যাংকের প্রায় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সুদীর্ঘ ৭ বছরে এই মামলার কোন অগ্রগতি নেই। কর্মচারীরা সাময়িক বরখাস্ত হেতু এই সকল পদে নতুন লোক বদলি করে আনা কিংবা নতুন লোক নিয়োগ দেয়া যাচ্ছে না। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হচ্ছেন পোস্টাল অপারেটর হুমায়ুন কবির বাবুল, নূরুল ইসলাম, আব্দুর রহিম, জহুরুল ইসলাম, সহকারী পোস্টমাস্টার আবুল কালাম আজাদ, অরুণ বরুণ অধিকারী, হিসাবরক্ষক কামাক্ষ্যা চরণ।
এই ডাকঘরের ফ্রাংকিং মেশিন নিম্নমানের হওয়ায় বছরের অধিকাংশ সময় তা অচল থাকে। ৩০ বছর আগের বরাদ্দ ২শ’ টাকায় বর্তমান বাজারে গালা, সুতলি, কেরোসিন কিনে পোস্ট অফিসের কার্যক্রম পরিচালনা কিছুতেই সম্ভব নয়। ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে অতিরিক্ত অর্থ ম্যানেজ করেই অফিসের কাজ চালাতে হয়।