পদ্মাসেতু দুর্নীতি মামলা
সন্দেহভাজনদের ব্যাপারে তদন্তে গুরুত্ব দেয়া হবে
প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:২৪
পদ্মাসেতুর পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের মামলার সন্দেহভাজনদের ব্যাপারে তদন্তে গুরুত্ব দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান। বিশ্বব্যাংকের চিঠির ব্যাপারে দুদকের অবস্থানের ব্যাপারে গতকাল বুধবার জানতে চাওয়া হলে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, কমিশনের বিশ্বাস দুদকের তদন্ত শেষ হলে পদ্মা সেতু দুর্নীতি অনুসন্ধানে গঠিত বিশ্বব্যাংকের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সব উদ্বেগ-আশঙ্কা কেটে যাবে। উল্লেখ্য, পদ্মায় দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলার এজাহার বিশ্বব্যাংকের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের কাছে পাঠানো হলে প্যানেল দুদকের কাছে আটটি প্রশ্নের উত্তর জানতে চায়। ওই চিঠিতে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনসহ আরো তিনজনকে আসামি করা যেত বলেও উল্লেখ করা হয়।
দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বিশ্বব্যাংক চায় পদ্মা সেতুর পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত। আমরাও তাই চাই। এই মামলায় যেন কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি জড়িয়ে না যায়। আবার কোনো অপরাধী যেন ছাড় না পায়। এই ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক ও দুদকের লক্ষ্য অভিন্ন। তিনি আরো বলেন, ‘তাদের (প্যানেল) দেশে কাউকে সন্দেহ করলে আসামি করা যায়। কিন্তু আমাদের দেশে তা করা যায় না। অপরাধের যুক্তিসংগত ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ থাকলে আমরা আসামি করতে পারি। পরবর্তীতে আমরা এফআইআর করি। এফআইআর করার পর তদন্তে কোনো নিরপরাধী থাকলে বাদ এবং তদন্তে আগত অপরাধী থাকলে তাকে নতুন করে আসামি হিসেবে যুক্ত করা হয়। এদের বলা হয় তদন্তে আগত আসামী। তদন্তে আগত এবং এজাহারের আসামিদের থেকে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আমরা চার্জশিট দাখিল করি। আদালত তার ভিত্তিতে বিচার করে। তিনি বলেন, তাদের বিশ্বাস দুদকের তদন্ত শেষ হলে বিশ্বব্যাংকের সকল উদ্বেগ-আশংকা কেটে যাবে। তিনি বলেন, অনুসন্ধান পর্যায়ে যাদের আসামী করা যায়নি তাদের তদন্তে তথ্য পেলে আসামী করার সুযোগ আছে।
এদিকে প্যানেলের প্রশ্নের উত্তর কবে নাগাদ পাঠানো হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এর জবাব কবে দেয়া হবে তা বলা ডিফিকাল্ট। যেদিন জবাব দেয়া হবে সেদিন সবাইকে জানানো হবে। চাঁদ উঠলে সবাই দেখতে পাবেন।