এফএ কাপ

জয় পেয়েছে আর্সেনাল-ম্যানইউ

জ্যাক উইলশিয়ারের শেষ মুহূর্তের গোলে এফএ কাপের তৃতীয় রাউন্ডে সোয়ানিসি সিটির বিরুদ্ধে প্রত্যাশিত জয় পেয়েছে আর্সেনাল। জয় পেয়েছে আরেক ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডও। ম্যাচ শেষ হওয়ার মাত্র মিনিট চারেক আগে উইলশিয়ারের গোলে এ বছরে নিজেদের প্রথম জয়টি পায় আর্সেনাল। দুই দলই এদিন মাঠে নামার আগে মূল একাদশে বেশকিছু পরিবর্তন এনেছিল। সোয়ানসি যেখানে পরিবর্তন করে ছয়জনকে সেখানে আর্সেনাল গত ম্যাচের একাদশে আনে তিনটি পরিবর্তন। আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে শুরু থেকেই জমে ওঠে ম্যাচটি। দুই দলই বেশ গোছানো খেলা খেলতে থাকলেও গোলের জন্য উপযুক্ত সুযোগ সৃষ্টি করতে পারছিল না কেউই। খেলার প্রথমদিকে শুধু আর্সেনালের ফ্রান্সিস কনকোয়েলিনই কেবল সোয়ানসির পোস্টে শট নিতে সমর্থ হন। যদিও সোয়ানসি গোলরক্ষক মাইকেল ভর্ম তা প্রতিহত করেন। প্রথমার্ধে গানাররাই প্রাধান্য বিস্তার করলেও মাঝে মাঝেই পাল্টা আক্রমণ করে ভালই জবাব দিচ্ছিল সোয়ানসি। ওয়েন রটলিজের দারুণ একটা ক্রসে আর্সেনাল ডিফেন্ডার কাইল বার্টলি আলতো করে মাথায় লাগালে গোল প্রায় পেয়েই যাচ্ছিল সফরকারীরা। বিরতির আগে গোল পেতে পারত আর্সেনালও যদি না ডুয়েট টিয়েন্ডেলি গানার ফরোয়ার্ড থিও ওয়ালকটের গোলমুখী শট আটকে না দিতেন। বেলজিয়ান ডিফেন্ডার থমাস ভার্মিলানের শট হাঁটু দিয়ে ঠেকিয়ে দিয়ে দলকে আরও একবার বিপদমুক্ত করেন সোয়ানসি গোলরক্ষক ভর্ম। বিরতির পরে সোয়ানসি ডিফেন্সের উপরে পূর্ণোদ্যমে ঝাঁপিয়ে পড়ে আর্সেনাল। আবু দিয়াবার পাস থেকে ওয়ালকটের আরেকটি শট ঠেকিয়ে দেন ভর্ম। ওলিভিয়ের গিরাড এবং সান্তি কাজালরো ও সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে না পারলে ম্যাচের প্রায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত গোল বঞ্চিত থাকতে হয় আর্সেনালকে। সোয়ানসি এই মৌসুমে তাদের সর্বোচ্চ গোলদাতা মিচুকে মাঠে নামালেও আর্সেনাল ওয়ালকটকে দিয়েই আক্রমণ চালাতে থাকে। ওয়ালকটের আরও একটি আক্রমণ নস্যাত্ করে দেন উডওয়ার্ক। ম্যাচের ৮৬ মিনিটে গিরাডের পাস থেকে ডি বক্সের কাছ থেকে উইলশিয়ারের নিচু শট সোয়ানসির জালে জড়ালে উল্লাসে মাতে এমিরেটসের দর্শকরা। দিনের অন্য ম্যাচে স্যার আলেক্স ফার্গুসনের দল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ওয়েস্টহ্যাম ইউনাইটেডকে একই ব্যবধানে হারায়। ম্যাচে ফার্গুসন নিয়মিত একাদশের দশজন খেলোয়াড়কে মাঠে না নামালে তার প্রভাব পড়ে ম্যান ইউর খেলায়ও। ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফেরা ওয়েইন রুনির প্রথমার্ধের নয় মিনিটের করা গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।