বরিশাল-সিলেট ম্যাচ
ভালো শুরু চান মুশফিক
প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:১৬
দিনের প্রথম ম্যাচে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা মাঠে নামবে। রানার্সআপরাই বা বসে থাকবে কেন? গত আসরের দ্বিতীয় সেরা দল বরিশাল বার্নার্স ও তলানির দিকে থাকা সিলেট রয়্যালস মাঠে নেমে পড়বে আজই বিপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচে সন্ধ্যা ছয়টায়।
গতবার সিলেট যে খারাপ করেনি সেটার জন্য তাদের ওপর একটা ভালো করার চাপ আছে। উল্টো এটাও ঠিক যে, দলটির ওপর প্রত্যাশার চাপ তুলনামূলক কম থাকবে। ফলে আজ খানিকটা নির্ভার হয়েই মাঠে নামবে সিলেট।
অবশ্য অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম এভাবে ভাবছেনই না। তিনি ভাবছেন, আসরে এই দল নিয়ে যথেষ্ট ভালো করা সম্ভব, ‘আসলে গত বছর সিলেট রয়্যালসের ভালো কাটেনি। যদি খেয়াল করে থাকেন গতবার সিলেটের দল খারাপ ছিল না। কিন্তু দলটা ভালো করতে পারেনি। এবার আমরা ম্যাচ বাই ম্যাচ টার্গেট করবো। আমাদের বদলি ক্রিকেটারও চলে আসছে। তারা ভালো করবে আশা করি।’
বরিশাল বার্নার্সের কেউ কাল সাংবাদিকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলেনি। ফলে তাদের মনোভাবটা বড়জোর অনুমান করে নেয়া যায়। গতবারের মতোই মাঝারি শক্তির দল করা বরিশাল নিশ্চয়ই শুরুটা ভালোই করতে চাইবে।
বরিশাল যাই চাক, মুশফিকুর বলছেন, তারা শুরুটাকে খুব গুরুত্ব দিচ্ছেন, ‘শুরুটা গুরুত্বপূর্ণ। বরিশাল ভালো দল। আমাদের চেয়েও ওদের বিদেশি ক্রিকেটার খারাপ নয়। আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে চেষ্টা করবো।’
এবার বিপিএলে একটা বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে শেষ সময় পাকিস্তানি ক্রিকেটার আসতে না পারা। এ নিয়ে সব দলই কম বেশি বিপাকে আছে। তবে মুশফিক বলছেন, তারা আর খুব বেশি সমস্যায় নেই, ‘আমাদের দলে পাকিস্তানের নামি-দামি ক্রিকেটার ছিল না। তাই সমস্যা হচ্ছে না। তাছাড়া বদলি ক্রিকেটাররাও চলে আসছে। আপনারা জানেন আমাদের বিদেশি ক্রিকেটার মাসাকাদজা চলে এসেছে। এছাড়া পল স্টারলিং, চিগাম্বুরা, মোহাম্মদ নবী চলে আসবে কাল। ডার্ক ন্যানেসও খুব দ্রুত চলে আসবেন আশা করছি।’
বাকিদের এই বিপিএলের সময় শুধু নিজেকে নিয়ে, নিজের বিপিএল দল নিয়ে ভাবলে চলছে। কিন্তু মুশফিকুরের ব্যাপারটা ভিন্ন। এই বিপিএল শেষ হতে না হতেই জাতীয় দল নিয়ে তাকে শ্রীলংকায় যেতে হবে। ফলে সামগ্রিকভাবে বিপিএলের প্রভাব নিয়েও কথা বলতে হল তাকে। মুশফিক বলছেন, বিপিএলের একটা উপকারিতা আছে, ‘আসলে আপনি যত খেলবেন ততই শিখবেন। গত বছর বিপিএলের পর আমরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও ভালো করেছি। ক্রিকেটাররা বিদেশিদের বিরুদ্ধে খেলবে। বিদেশি ক্রিকেটারদের সঙ্গে ড্রেসিং রুম শেয়ার করে অনেক কিছু শিখতে পারবে। এটা ক্রিকেটারদের জন্যই ভালো।’