১৭ কিলোমিটার সড়কে ২২টি গতিরোধক!

দৌলতদিয়া-খুলনা মহাসড়কের রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাট থেকে সদর উপজেলার বসন্তপুর রেলক্রসিং পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার মহাসড়কে ২২টি গতিরোধক থাকায় দ্রুতগামী যান চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। রাজবাড়ী সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত তিন বছর আগেও দৌলতদিয়া ঘাট থেকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার বসন্তপুর পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার মহাসড়কে প্রায় ১০/১২টির মতো গতিরোধক ছিল। এর মধ্যে গোয়ালন্দ, খানখানাপুর ও বসন্তপুর এলাকায় রেলগেট থাকায় সেখানে ৬টি এবং মোগবুলের দোকান নামক এলাকায় বাঁকা থাকায় গতিরোধকের প্রয়োজনটা ছিল বাধ্যতামূলক। কিন্তু গত ৩/৪ বছরে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে সড়ক দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজনের প্রাণহানি ঘটায় স্থানীয় জনগণের আন্দোলন ও চাপের মুখে কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে আরো কয়েকটি স্পিডব্রেকার বসায়। চলতি বছরের ৩০ জুলাই গোয়ালন্দ মোড়ে অসাবধানতাবশত পরিবহন চাপায় তিনজনের প্রাণহানি ঘটলে স্থানীয়দের চাপে কর্তপক্ষকে সড়কে চারটি গতিরোধক বসাতে বাধ্য করা হয়। এছাড়া সড়কের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে আরো কয়েকটি র্যাম্বন স্ট্রিপ (চিকন লাইন)। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাসান ইমাম চৌধুরী বলেন, আমরা একটু সচেতন হলে এত গতিরোধকের প্রয়োজন পড়ে না। ইউএনও মো. ছরোয়ার হোসেন বলেন, দৌলতদিয়া ঘাট থেকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার সীমানা বসন্তপুর রেলক্রসিং পর্যন্ত মাত্র ১৭ কিলোমিটার সড়কে যদি ২২টি গতিরোধক থাকে তাহলে এক্ষেত্রে অনেক সমস্যাই হওয়ার কথা। কিন্তু আমি এখানে নতুন আসায় এব্যাপারে তেমন মন্তব্য করতে পারছি না।