নাগরপুরে মুদি দোকানেও মিলছে ওষুধ

নাগরপুরের ১২টি ইউনিয়নের ২টি বাজারে নকল, ভেজাল, মেয়াদোত্তীর্ণ ও নিম্নমানের ওষুধে সয়লাব হয়ে গেছে। এদিকে বিভিন্ন হাট-বাজারে এবং মোড়ের মুদি দোকানে হাত বাড়ালে পাওয়া যাচ্ছে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ। জেলা ড্রাগ কর্মকর্তা অভিযানের নামে সেলামি নিয়েই ব্যস্ত থাকায় এসব অসাধু ব্যবসায়ীরা দেদারসে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ-লাখ টাকা। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। জানা যায়, টাঙ্গাইলের নাগরপুরে সাড়ে চারশত ওষুধের দোকান রয়েছে। এর মধ্যে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ওষুধের দোকান প্রায় ৩ শতাধিক। আর লাইসেন্সবিহীন দোকান দেড় শতাধিক। এছাড়া মুদি দোকানে পাওয়া যাচ্ছে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ডাক্তার বলেন, উপজেলার প্রায় দুই শতাধিত কোম্পানীর প্রতিনিধি তাদের ওষুধ বিক্রির জন্য কাজ করে থাকে। এদের মধ্যে অধিকাংশ কোম্পানী মানহীন ওষুধ বিক্রি করে আসছে। জীবনরক্ষাকারী ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ ফার্মেসীতে গছিয়ে দেয়ার জন্য বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধিরা ডাক্তারদের নানা প্রকার প্রলোভন দিয়ে দেদারছে এসব ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ দোকানে বিক্রি করে। অসাধু ওষুধ ব্যবসায়ীরা লেবেল বিহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ, ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ বিক্রি করে উপজেলার সাধারণ মানুষকে প্রতারণার ফাদে ফেলে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। টাঙ্গাইল জেলা ড্রাগ সুপার ও অফিস সহকারী নিয়ে গত বুধবার উপজেলার শাহাজানী বাজারের কয়েকটি ফার্মেসীতে অভিযান চালিয়ে নিম্নমানের ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ আটক করলেও তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। অভিযোগে প্রকাশ, ড্রাগ সুপার সেলামি গ্রহণ করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ওষুধ ব্যবসায়ী জানান, উপজেলার বিভিন্ন বাজারের মুদি দোকানে ও অধিকাংশ ফার্মেসীতে ভেজাল, মেয়াদোত্তীর্ণ ও নিম্নমানের ওষুধ বিক্রি করলেও জেলা ড্রাগ সুপার অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।