নাচে গানে আর আলোর ঝলকানিতে উদ্বোধন বিপিএলের

হঠাত্ বেজে উঠল রাজ দরবারে রাজার আগমনী সেই মেজাজী সুরঝংকার। ঘোড়ায় চড়ে মঞ্চে এলেন নৃত্যশিল্পী। রাজ দরবার থেকে এক লাফে বাংলার সুরে চলে এলো আবহ। আর বাংলার সুরে একটার পর একটা নাচ-গান চলতে থাকল। খাঁটি ‘বাঙালিয়ানায়’ শুরু হল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বিতীয় আসর। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড হঠাত্ করে বিপিএলে খেলোয়াড় দিতে অস্বীকার করায় একটা চ্যালেঞ্জ হিসাবে এই আয়োজনকে নিয়েছে বিসিবি। কিন্তু সেই চ্যালেঞ্জ পূরণ করতে নিজেদের তরফে যে উদ্যোগ, উদ্যম এবং সমন্বয় দরকার ছিল; উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তার ছিটেফোঁটাও দেখা গেল না। যদিও বাংলাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা, জনপ্রিয় তারকা মমতাজ এবং ভারত-পাকিস্তানের নামকরা শিল্পীরা গান করলেন। কিন্তু অনুষ্ঠানে দফায় দফায় অহেতুক দীর্ঘ বিরতি, অনুষ্ঠান শুরু হতে অনেক বিলম্ব; এসব নিয়ে উপস্থিত দর্শকদের অসন্তুষ্টি ও বিরক্তি থেকেই গেল। অনুষ্ঠান শুরু হল মহামান্য রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সংক্ষিপ্ত উদ্বোধন ঘোষণার ভেতর দিয়ে। এরপর আতশবাজির খেলায় মাতল স্টেডিয়াম। তারপরই মিনিট কয়েক মঞ্চে আর কিছু নেই। বোঝা গেল না, এরপর কী হবে! এরপর এলেন রুনা লায়লা, তারপর মমতাজ। এরপর মৌয়ের পরিবেশনায় কয়েকটি নাচ। এরপর হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানি সঙ্গীত তারকা আতিফ আসলাম ও ভারতীয় সুনীধি চৌহানের পরিবেশনা। কথা ছিল সবগুলো দলের খেলোয়াড়রা অংশ নেবেন মার্চপাস্টে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সেগুলো শুরুর অপেক্ষায়। আর সেই অপেক্ষায় ছিলেন মাঠে অল্পবিস্তর দর্শক। টিকিটের প্রবল দাম বা অন্য কোনো কারণে গ্যালারির অর্ধেকটাও ভরল না উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। তারপরও সবার আশা রইল, এসব দুর্বলতা মাঠের খেলায় কাটিয়ে উঠবে বিপিএল