ভাইরাসে আক্রান্ত

আদমদীঘিতে ৩৪টি পুকুরে ৩ কোটি টাকার মাছ বিনষ্ট

আদমদীঘির কালাইকুড়িতে জিএম এ্যাকোয়া কালচার লিমিটেড ও মত্স্য খামারে ৩৪টি মাছ চাষ পুকুরে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৩ কোটি টাকা মূল্যের পাঙ্গাস ও থাই কৈ মাছ মরে বিনষ্ট হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য পুকুরেও বহু মাছ আক্রান্ত হয়ে মরে যাচ্ছে। আকস্মিক মাছের মড়কে চাষীদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। মত্স্য ভাণ্ডার বলে খ্যাত আদমদীঘি উপজেলার কালাইকুড়ি গ্রামে প্রায় ১০/১২ বছর যাবত্ জিএম এ্যাকোয়া কালচার লিমিটেড ও জিএম মত্স্য খামার রেণু পোনা উত্পাদনসহ ৩৪টি পুকুরে মাছ চাষ করে আসছে। এখান থেকে উত্পাদিত রেণু পোনা ও বড় জাতের পাঙ্গাস ও থাই কৈসহ বিভিন্ন জাতের মাছ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার বেচাকেনা করা হয়। চলতি মৌসুমে এই খামারে ৪৩ একরের খণ্ড খণ্ড ৩৪টি পুকুরে বাজার জাতকরণের জন্য বিপুল পরিমাণ পাঙ্গাস ও থাই কৈ মজুত রাখা হয়। গত কয়েক দিনের লাগাতার শীত ও ঘন কুয়াশায় ওই সব পুকুরে এক জাতীয় ভাইরাসে পাঙ্গাস মাছের গায়ে ঘা ও শেওলা জাতীয় পদার্থ জমে ছটফট করতে করতে মরে ভেসে উঠছে। গত বৃহস্পতিবার সকালে জিএম এ্যাকোয়া কালচার লিমিটেড ও মত্স্য খামারে সরেজমিনে দেখা গেছে ৩৪ টি পুকুরে রাখা পাঙ্গাস ও থাই কৈ মাছ মরে গেছে। এসব পুকুরে প্রতিদিন অগভীর নলকূপের নতুন পানি দিয়েও কোন লাভ হচ্ছে না বলে জিএম এ্যাকোয়া কালচারের এমডি আলহাজ্ব আব্দুল মহিত তালুকদার জানান,আদমদীঘি উপজেলা মত্স্য অফিসার আতিয়াহ্ তৈয়বা ক্ষতিগ্রস্ত প্রজেক্ট পরিদর্শন করে বলেন, দীর্ঘস্থায়ী শীত ও রোদের তাপমাত্রা কম থাকার কারণে এই বিপুল মাছ মরে গেছে।