বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুত্ কেন্দ্র
পরিত্যক্ত কয়লার ঠিকাদারকে সরবরাহ করা হচ্ছে ভালো কয়লা
প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি ২০১৩, ২০:৫৭
পরিত্যক্ত কয়লা সরবরাহের টেন্ডার দেয়া হলেও ঠিকাদারকে সরবরাহ করা হচ্ছে বিদ্যুত্ উত্পাদনের জন্য কেনা ভালো কয়লা। এর সবটাই হচ্ছে ঠিকাদারের সাথে কর্মকর্তাদের যোগসাজশে। এতে করে বিদ্যুত্ উন্নয়ন বোর্ড আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন দিনাজপুরের ফুলবাড়ির পার্শ্ববর্তী বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুত্ কেন্দ্রের কর্মকর্তা ও ঠিকাদার। আর এ কারণে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পরিত্যক্ত কয়লার বদলে বিদ্যুত্ উত্পাদনের জন্য বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে কেনা ভালো কয়লা ট্রাকযোগে সরবরাহ করার খবরে এলাকাবাসী কয়লা বোঝাই দুইটি ট্রাক আটক করে একটি ট্রাক আগেই অন্যত্র চলে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হলে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য কর্মকর্তারা তোড়জোড় শুরু করেন। বিষয়টি নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর অনেকেই মুঠোফোন বন্ধ করে দেন। আবার কারো কারো মুঠোফোন চালু থাকলেও কথা বলেননি। এমন কী অফিসের ল্যান্ডফোনও ধরেননি।
প্রকাশ, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গত শুক্রবার দুপুরে ঐ ঠিকাদারকে ৩টি ট্রাকে পরিত্যক্ত কয়লা সরবরাহ না করে বিদ্যুত্ উত্পাদনের জন্য বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে কেনা ভালো কয়লা সরবরাহ শুরু করেন। বিষয়টি জানতে পেরে এলাকাবাসী ভালো কয়লা বোঝাই ২টি ট্রাক আটক করলে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়।
তাপবিদ্যুত্ কেন্দ্রের পরিত্যক্ত কয়লার ডেলিভেরি কমিটির অন্যতম সদস্য ও পরিচালক (মেইনটেনেন্স) সৈয়দ ওবায়দুর রহমান দেওয়ানের মুঠোফোন ও অফিসের ল্যান্ডফোনে রিং বাজলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। তাপবিদ্যুত্ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মঞ্জুরুল আলম বলেন, তিনি কিছুই জানেন না। পরিত্যক্ত কয়লার সরবরাহ কমিটির সদস্য সৈয়দ ওবায়দুর রহমান দেওয়ান বিষয়টি ভালো জানেন। পরিত্যক্ত কয়লার বদলে ভালো কয়লা সরবরাহ করা হলেও তার করার কিছুই নেই। যা কিছু করার আছে তার সবটাই সরবরাহ কমিটিই।