নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষাও জরুরি
প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:০৪
শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানাই নতুন বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেয়ার জন্য। আমাদের সন্তানদের মেধা বিকাশে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কিন্তু কিছু কিছু বিষয় অতি দ্রুত জানানো হচ্ছে, যা তাদের জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়াবে। ষষ্ঠ শ্রেণীর শারীরিক শিক্ষা বইটিতে এমন কিছু সংযোজন করা হয়েছে যা একটি উঠতি বয়সের ছেলে কিংবা মেয়ের জন্য ক্ষতিকর। এতে করে তারা ইচড়েপাকা হয়ে যাবে। আমরা সন্তানদের এসব বিষয় থেকে দূরে রেখে সৃষ্টিশীলতার দিকে নিয়ে যেতে চাই। কেবল লেখাপড়া নয়, নৈতিক শিক্ষা, ধর্মীয় জ্ঞানও যাতে অর্জিত হয়, সেদিকেও সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। শুধু নোটবই, প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ করলেই হবে না, স্কুলে যদি শিক্ষকরা ঠিকভাবে না পড়ান, তাহলে তো কোনো লাভই হবে না। ক্লাসে না পড়ালে বাধ্য হয়ে গাইড বা শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে যেতে হবে। এ ব্যাপারে সরকার যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কড়া নজরদারি সৃষ্টি করেন তবে আমরা অভিভাবকবৃন্দ লাভবান হবো।
আয়েশা সিদ্দিকা, দক্ষিণ বনশ্রী, ঢাকা।