মু খো মু খি

জীবিত থাকতেই এই বাংলায় ১০০ কোটি বাজেটের বাংলা ছবি দেখে যেতে চাই

বিনোদন প্রতিদিনে আমরা ধারাবাহিকভাবে দুই বাংলার চলচ্চিত্র বিনিময় নিয়ে একাধিক তারকার সাক্ষাত্কার প্রকাশ করছি। কলকাতার জিত্-এর পরে তার প্রত্যুত্তর সাক্ষাত্কারে ছিলেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অভিনেতা মিশা সওদাগর। আজ তারই ধারাবাহিকতায় প্রসেনজিত্-এর সাক্ষাত্কার ছাপা হলো। শিল্পীর সাক্ষাত্কারের কিছু অংশ ঢাকায় এবং বাকিটুকু কলকাতা থেকে মোবাইলে দিয়েছেন। কেমন আছেন? দুই বাংলার এই মিলন আলোচনা কেমন উপভোগ করছেন? এক কথায় দারুণ। আমি তো সব সময়ই বলি, দুই বাংলার সংস্কৃতি এক হওয়া উচিত। সর্বশেষ ‘মনের মানুষ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সময়ও আমি একই কথা বলেছিলাম। আমাদের বাংলা সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করতে এই যৌথ প্রয়াসটা খুবই জরুরি। কিন্তু এখানেও তো সেই পুরোনো তর্ক। অর্থাত্ আপনাদের ওখানে আমাদের চ্যানেল দেখা যায় না। ফলে একটা বৈষম্য রয়েই যায়। এটা দূর করার জন্য আমরা আবারও বসব। আমরা শিল্পীরা কেউই চাই না। আমাদের টালিগঞ্জের প্রায় অর্ধেক মানুষ এই বাংলাদেশ থেকে ওখানে গিয়ে কাজ করছে। আমরা যারা বাংলায় কথা বলি, তারা সকলেই মনে-প্রাণে বাংলা ভাষার একমাত্র দেশটির চ্যানেল দেখতে চায়। সুতরাং আমাদের দুই পক্ষের চাওয়া-পাওয়ার ভেতরে কোনো পার্থক্য নেই। কিছুদিন আগে জিত্ বলেছেন, এই প্রক্রিয়ায় হিন্দি ছবি এলে, তিনি নিজেও বিরোধিতা করবেন। এ বিষয়ে আপনার মতামত কী? আমারও একই। কারণ এটাতো স্পষ্ট আমরা নিজেরাও কলকাতায় এই হিন্দি ছবির সাথেই ফাইট দিচ্ছি। তাই এখানে হিন্দি ছবির বাজার গড়ে তো আমাদের লাভ নেই। আমরা দুই দেশের শিল্পীরা মিলে আরও বড় বাজেটের ছবি করব। আমি জীবিত থাকতেই এই বাংলায় ১০০ কোটি বাজেটের বাংলা ছবি দেখে যেতে চাই। এবং আমরা এক থাকলে তা অসম্ভব কিছু নয়। এ দেশের চলচ্চিত্র সম্পর্কে আপনার মতামত বা সাম্প্রতিক কয়টি ছবি দেখা হয়েছে? বিভিন্ন উত্সবে গেলেই দেখা হয়। সর্বশেষ ইন্দ্রনীল তো ছবি করল। ওটা দেখব। এখনও দেখা হয়নি। তবে দেখার ইচ্ছে আছে। আর ‘গেরিলা’ দেখেছি। অসাধারণ লেগেছে। বাংলাদেশের অনেক তারকারাও আমাদের ছবি দেখে অনেক প্রশংসা করেন। মোট কথা আমরা আমাদের পরিবারটাকে আরও বড় করতে চাই। এটা আমাদের সবার জন্য জরুরি। এখন কী নিয়ে ব্যস্ততা? ব্যস্ততার কথা বললে অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত যতটা তার চেয়েও বেশি ব্যস্ত প্রযোজনা নিয়ে। এ এক মহাযজ্ঞ। প্রযোজক হলে তো আমি কন্যার বাবা। সবার কথা শুনে, হেসে হেসে সবাইকে ম্যানেজ করে একেকটি ছবি প্রমোট করতে হয়। তবে এর ভেতর অন্য এক আনন্দ আছে বলতে পারেন। আর ছবির ভেতরে সর্বশেষ ‘কাকাবাবু’ করছি। সামনে আরও কিছু ছবির কথা চলছে। বি.দ্র. আগামীকাল প্রকাশিত হবে এই প্রসঙ্গ নিয়ে চিত্রনায়িকা ববিতার এক্সক্লুসিভ সাক্ষাত্কার।