মিঠাপুকুরের গ্রামীণ রাস্তার বেহাল দশা

উপজেলা এলজিইডির অর্থায়নে নির্মিত গ্রামীণ পাকা সড়কগুলো সংস্কারের অভাবে বর্তমানে চলাচলের প্রায় অযোগ্য হয়ে পড়েছে। উপজেলা সদরের সাথে ১৭টি ইউনিয়নের সংযোগ সড়ক এবং ইউনিয়ন পরিষদের সাথে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সংযোগ রক্ষাকারী কাঁচা-পাকা রাস্তাগুলোর অধিকাংশেরই একই দশা। মেরামত এবং সংস্কার হয় না বহু বছর যাবত্। সরেজমিনে দেখা গেছে, জালালগঞ্জ থেকে সেরুডাঙ্গা হয়ে উপজেলা সদরে আসার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি গত এক যুগেও সংস্কার হয়নি। রাস্তাটির ইটের খোয়া উঠে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। মাত্র ২.৫০ কিঃমিঃ রাস্তা গত অর্থবছরে সংস্কার করার পর বাকি অংশের কাজ আর এগুচ্ছে না। শঠিবাড়ী থেকে রামপুরা হয়ে চিথলী পশ্চিমপাড়া আড়াই কিঃমিঃ রাস্তা, মিঠাপুকুর গড়েরমাথা থেকে বলদিবাতান ৩ কিঃমিঃ রাস্তা, জায়গীর হাট থেকে কোমরগঞ্জ-বালারহাট রাস্তা, জায়গীরহাট-মিয়ারহাট হয়ে বালারহাট রাস্তা, শালমারা থেকে হুলাশু-ঠাকুরবাড়ী রাস্তা, শঠিবাড়ী গোড়বান্ধা থেকে পাগলারহাট হয়ে নানকার রসুলপুর পর্যন্ত প্রত্যন্ত অঞ্চলের রাস্তাগুলো চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এদিকে উপজেলা সদর থেকে লতিবপুর ইউনিয়নের ভেতর দিয়ে মোলংহাট-তনকা মামুদপুর রাস্তা, রানীপুকুর ইউনিয়নের মোলংহাট থেকে মাঠেরহাট হয়ে রংপুর-ভেন্ডাবাড়ি পাকা সড়ক ক্রস করে ময়েনপুর-কদমতলী সংযোগ রাস্তাসহ বেশ কিছু রাস্তার একই অবস্থা। এলজিইডি ছাড়াও বিভিন্ন এনজিও, কাবিখা, দুস্থ মাতা ও ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে করা রাস্তা-ঘাটের সংস্কার বা উন্নয়নে হাত দেয়া হয় না বহুদিন। এ ব্যাপারে মিঠাপুকুর উপজেলা এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি স্বীকার করেন, উপজেলার অধিকাংশ পাকা সড়ক সংস্কারের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তবে বেশ কয়েকটি রাস্তা সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।