অভিযোগ ছাড়াই শেষ হলো ফুটবল লিগের প্রথম পর্ব
প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:২৫
আবাহনী সকারের ম্যাচ দিয়ে গত ১৩ নভেম্বর ঢাকায় মাঠে গড়িয়েছিল পেশাদার ফুটবল লিগ। আর গত রবিবার গোপালগঞ্জে আবাহনী-মুক্তিযোদ্ধা ম্যাচ দিয়ে শেষ হলো চলতি মৌসুমের পেশাদার ফুটবলের প্রথম পর্ব। প্রথম পর্বে ৩৬ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে; কিন্তু এই ম্যাচের মধ্যে এবার পাতানো খেলার গন্ধ পাওয়া যায়নি। ৩৬ ম্যাচের মধ্যে মাঠের লড়াইয়ে প্রতিটি খেলা ছিল উত্তেজনাকর। একমাত্র শেখ রাসেলই ৬-০ গোলে আরামবাগকে হারিয়ে লিগের একমাত্র বড় জয় তুলে নিয়েছিল। যদিও শুরুতে এই ম্যাচ সহজ ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধে গিয়ে পাঁচ গোল করে ম্যাচটাকে সহজ করেছিল শেখ রাসেল। ঢাকার ম্যাচগুলোতে দর্শক উপস্থিতি কম হলেও সব ম্যাচেই এবার মাঠের লড়াইটা ছিল ভালো। এখন শীর্ষ দলগুলোর মধ্যে চলছে শিরোপা লড়াই। আর নিচের দলগুলোর মধ্যে চলছে রেলিগেশন ঠেকাও লড়াই। লিগের শুরু থেকেই একটা ব্যবধান গড়ে উঠেছে। সকার ক্লাব, আরামবাগ, ব্রাদার্স প্রথম থেকেই ম্যাচ হারতে হারতে তাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। তিনটি দল নিজেদের অবনমনের হাত থেকে বাঁচার লড়াই করছে। আর শেখ রাসেল, শেখ জামাল, আবাহনী লড়ছে শিরোপার জন্য। মুক্তিযোদ্ধা, মোহামেডান এবং বিজেএমসি কিভাবে শীর্ষ স্থান পর্যন্ত যাওয়া যায়, তা নিয়ে লড়াই করছে। টেবিলের আলোচনায় পয়েন্ট কেনা-বেচার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। যে কারণে নয় দলই এখন নিজেদের অবস্থান নিয়ে কঠিন পরিস্থিতিতে। অতীত ফুটবলে যেসব ক্লাব পয়েন্ট কেনা-বেচার গুঞ্জন গায়ে মেখেছিল তারা সবাই এখন ত্রাহি ত্রাহি পরিস্থিতিতে। সবাই নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত। রেফারি নিয়ে এবারো অভিযোগ ছিল কম-বেশি সব ক্লাবের। কারো অভিযোগ একটা দলের বিরুদ্ধে কেন বারবার একই রেফারিকে দেয়া হচ্ছে। ক্লাবগুলো চায় নিরপেক্ষ বাঁশি বাজানো হোক।
হ্যাটট্রিক একটি ঃ ওসে মরিসন (মোহামেডান-ব্রাদার্স)।
৭টি ঃ ওসে মরিসন (মোহামেডন)।
৪টি ঃ সানডে চিজোবা, মাইক ওতোজারেরি (শেখ জামাল), ইসমাইল বাঙ্গুরা (বিজেএমসি), শাখাওয়াত রনি (আবাহনী)।
৩টি ঃ জাহিদ হোসেন, সনি নরডে (শেখ রাসেল), ডালিংটন, টাইসন সিলভা (মুক্তিযোদ্ধা), কিংসলে চিগোজি (ব্রাদার্স)।
২টি ঃ জাহিদ হাসান এমিলি, মিঠুন চৌধুরী (শেখ রাসেল), শাকিল আহমেদ (শেখ জামাল), তৌহিদুল ইসলাম, ডি সিলভা (আবাহনী), অগাস্টিন চিজোবা (মোহামেডান), এন্ডারসন (ব্রাদার্স), এলিটা কিংসলে (বিজেএমসি), ভিক্টোরি অ্যান্থনি (সকার ক্লাব)।