শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
আনন্দ আর ভালোলাগা
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০১৩, ১৮:৪৬
ইট, বালু, পাথর আর রড সিমেন্টের তৈরি এই ব্যস্ত শহরের মধ্যে শ্যামল গ্রামটিকে খুঁজে পেয়েছে পাঁচশ নবাগত শিক্ষার্থী। এখানে আসতে পেরে স্বস্তি পাচ্ছে এই তরুণ-তরুণীরা। গ্রামটি হল রাজধানীর শ্যামলগ্রাম শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। বছর শুরুতেই এই প্রতিষ্ঠানটি খুঁজে পেয়েছে এক ঝাঁক তরুণ-তরুণী। এই তরুণ-তরুণীরা নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে ভর্তি হয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটিতে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হল এদের নবীন বরণ অনুষ্ঠান। বছর শুরুতেই নতুন একটি পরিবেশে এসে আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেছে। ক্যাম্পাসে নানা জায়গায় রয়েছে ওদের সমাগম।
বছর শুরুতেই ওদের বরণ করে নিল বিশ্ববিদ্যালয়টি। সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আয়োজন করা হয় ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের এ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মোঃ শাদাত উল্লা, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রশীদ ভুঁইয়া, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হযরত আলী, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও নবাগত শিক্ষার্থীরা।
উপাচার্য প্রফেসর মোঃ শাদাত উল্লা নবীনদের কঠিন ভর্তিযুদ্ধে প্রতিযোগিতা করে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারার জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি নবীন ছাত্রছাত্রীদের মেধা, বুদ্ধি এবং দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আগামী চার বছরের মধ্যে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করে দেশকে অর্থনীতিকে এগিয়ে নেয়া, কৃষি খাতকে সমৃদ্ধ করার ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করার জন্য আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন এগ্রিবিজনেস ম্যানেজমেন্ট অনুষদের ডীন অধ্যাপক মোঃ জুলফিকার আহম্মেদ রেজা, এনিম্যাল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডীন প্রফেসর মো. আনোয়ারুল হক বেগ, কৃষি অনুষদের ডীন অধ্যাপক মোঃ জাহিদুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক হাসানুজ্জামান আকন্দ, প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহ্বায়ক সহযোগী অধ্যাপক নূর মো. রহমতউল্লাহ, শেকৃবির ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম খান মিলন।
অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক এবং শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. অলক কুমার পাল। অনুষ্ঠান শেষে নবীন শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করে সকল ডিপার্টমেন্ট ঘুরিয়ে দেখানো হয়।