মহিলা ক্ষুদ্রঋণে উপকারভোগী ৮৭ হাজার ৫৫৯ জন
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:২১
মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের আট ধরনের ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের মধ্যে সাতটি শেষ হয়েছে। আর এ ঋণের আওতায় উপকারভোগীর সংখ্যা ৮৭ হাজার ৫৫৯ জন। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংসদ সচিবালয় জানায়, বর্তমানে ৪৭৩টি সদর উপজেলায় রাজস্ব খাতের আওতায় মহিলাদের আত্ম-কর্মসংস্থানের জন্য ক্ষুদ্রঋণ তহবিল কার্যক্রম চলছে। এ কার্যক্রমের জন্য ৩৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। এর আওতায় এ যাবত্ ঘূর্ণায়মান আকারে ক্রমপুঞ্জিত ঋণ বিতরণের পরিমাণ ৭৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। বৈঠকে কমিটিকে জানানো হয়, ইতিমধ্যে ঋণের মধ্যে প্রায় ৫০ কোটি ৮৬ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। অনাদায়ী রয়েছে ৬৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা।
কমিটির সদস্যদের জানানো হয়, ক্ষুদ্রঋণ দেয়া ও আদায়ের বিষয়ে একটি সময়োপযোগী নীতিমালা প্রণয়নের জন্য মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের ক্ষুদ্রঋণের প্রস্তাবিত নতুন নীতিমালা অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে বাস্তবায়িত মহিলাদের আত্ম-কর্মসংস্থানের জন্য ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের একটি খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কমিটি ঋণ বিতরণ কার্যক্রম এবং এর সঠিক ব্যবহারের জন্য ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছে। তাছাড়া অনাদায়ী ঋণ দ্রুত আদায়ের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণেরও সুপারিশ করা হয়। ঋণ বিতরণ ও আদায়ের মধ্যে কোন ধরনের অস্বচ্ছতা যেন না থাকে সেজন্য এ বিষয়ে অডিট ফার্মের মাধ্যমে অডিট করার জন্যও সদস্যরা সুপারিশ করেছেন।
এর আগে বৈঠকের শুরুতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং অধীনস্থ দফতরগুলোর ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ ও আদায়ের হাল নাগাদ তথ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। কমিটির সভাপতি বেগম মেহের আফরোজ-এর সভাপতিত্বে সদস্য হিসেবে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, মোহাম্মদ সিরাজুল আকবর, জিনাতুন নেছা তালুকদার, রেবেকা মমিন এবং নাসরিন জাহান রত্না অংশগ্রহণ করেন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।