সুন্দরবন ইকো পার্ক
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:১৬
দর্শনার্থীদের বিনোদনের জন্য মেলায় রয়েছে সুন্দরবন ইকো পার্ক। সুন্দরবনের আকৃতিতে তৈরি করা হয়েছে এই পার্কটি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের আওতায় জাতীয় সঞ্চয় পরিদপ্তরের সহযোগিতায় এবং বেসিক ব্যাংক লিমিটেডের স্পন্সর হিসেবে তৈরি করা হয়েছে এই পার্ক।
মেলার এই কৃত্রিম পার্কটি সহজে দর্শনার্থীদের চোখে পড়ছে না। কারণ এটি মেলার পশ্চিম পার্শ্বের এক প্রান্তে অবস্থিত। তবে তরুণ-তরুণীদের চোখের আড়ালেও থাকতে পারছে এটি। মেলায় এসেই খুজে নিচ্ছেন তারা এই পার্কটি। মেলার স্টল ও প্যাভিলিয়নগুলোতে এখন কেনা বেচার ব্যস্ততা। তাই সময় কাটাতে দর্শনার্থীরা চলে আসেন এই পার্কে। সবাই দেখছেন এবং উপভোগ করছেন কৃত্রিম এই সুন্দরবন। আড্ডা জমাচ্ছেন পার্কের সব দিক ঘিরে। যারা সুন্দরবন দেখেনি তাদের জন্য সুন্দরবন দেখার প্রথম অভিজ্ঞতাই হতে পারে এই পার্কটি। পার্কে এসে আড্ডা জমিয়েছেন ধানমন্ডি মেলায় আসা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাহাত, শিপন, রিতা এবং তমা। এদের মধ্যে রিতা ইত্তেফাককে জানান, সকালে মেলায় এসেছি। চারদিকে ঘোরাঘুরি এবং কেনাকাটা করে ক্লান্তি লাগছিলো। হঠাত্ চোখে পড়ল এই পার্কটি। এখানে এসে অবাক হলাম এত সুন্দর একটি পার্ক মেলায় আছে অথচ এতদিন চোখে পড়েনি। আমি কখনো সুন্দরবনে যাইনি। এখানে এসে মনে হচ্ছে সত্যিই সুন্দরবনে চলে এসেছি। তবে সন্ধ্যার আগে এখান থেকে যাচ্ছি না।
শুধু দর্শনের জন্যই তৈরি করা হয়েছে এই পার্কটি। এর ভিতরে প্রবেশের সুযোগ নেই দর্শনার্থীদের। পার্কের মধ্যে তৈরি করা হয়েছে ছোট ছোট লেক। লেকের পাশে বিশ্রাম করছে ৩টি কুমির। পার্কের বিভিন্ন জায়গায় বিশ্রাম করছে ৫টি রয়েল বেঙ্গল টাইগার। রয়েছে ২টি অজগর সাপ। বানর ঝুলে আছে গাছের ডালে ডালে। এছাড়াও রয়েছে নানা প্রজাতির সুন্দরবনের পাখি এবং গাছগাছালি।
মেলায় এই পার্কটির পরিচালার দায়িত্বে আছেন জেট আর লেমন, এ্যানিমেল ডিজাইন করেছেন শুরেষ পান দে, ল্যান্ড ডিজাইন করেছেন জাহাঙ্গির আলম এবং তৈরি করেছেন নাজিয়া ফারহা।
পার্কের দায়িত্বরত এক কর্মকর্তা মো: ফাইজুল কবির রোহী ইত্তেফাককে জানান, প্রতিদিন প্রায় ৫০ হাজার লোক এখানে আসছেন এবং উপভোগ করছেন। সম্পূর্ণ বিনামূল্যেই উপভোগ করছেন দর্শনার্থীরা।