প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার
খুলনায় যাচ্ছেন
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:২২
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একদিনের সফরে আগামী বৃহস্পতিবার খুলনায় যাচ্ছেন। এই সফরকে ঘিরে খুলনায় এখন উত্সবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। খুলনাবাসী প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। এই সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ওইদিন বিকালে ঐতিহাসিক সার্কিট হাউজ ময়দানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় বক্তৃতা করবেন। এই জনসভা সফল করতে গোটা মহানগরী এখন প্রচার-প্রচারণায় মুখর। পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক, ওলিগলি ও পাড়ামহল্লা। মাইকে চলছে বিরামহীন প্রচারণা।
প্রধানমন্ত্রী আগামী বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে খুলনার খালিশপুর পৌঁছবেন। দিনভর সেখানে তিনি ব্যস্ত সময় কাটাবেন। যোগ দেবেন বিভিন্ন কর্মসূচিতে। দিনভর তার কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ ‘পদ্মা’ কমিশনিং, বিএনপির সময় বন্ধ করা দৌলতপুর জুট মিল পুনরায় চালু, খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি নতুন হল ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন হল, নবনির্মিত ভাস্কর্য ‘দুর্জয় বাংলা’র উদ্বোধন।
প্রধানমন্ত্রীর নিকট খুলনাবাসীর দাবি
আগামী ২৪ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার খুলনায় আগমন উপলক্ষে বিভিন্ন দল ও সংগঠনের পক্ষ থেকে খুলনার উন্নয়নে নানা ধরনের দাবি উত্থাপন করা হবে। এসব দাবি আদায়ের উদ্দেশ্যে কোন কোন সংগঠন সাংবাদিক সম্মেলন, মানববন্ধনের মত কর্মসূচি পালন করছে। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে—খুলনায় বন্ধ নিউজপ্রিন্ট মিলস, দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরী, দৌলতপুর জুট মিলসহ বন্ধ হয়ে যাওয়া অন্যান্য কলকারখানা চালু। এছাড়াও টেক্সটাইল পল্লী বাস্তবায়ন, খানজাহান আলী বিমান বন্দরের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্তকরণ, পাইপ লাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ, মংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও ক্যাপিটাল ড্রেজিং, নগরীর দৌলতপুর মুহসিন স্কুল, রূপসা বঙ্গবন্ধু কলেজ, মডেল মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়, ইকবালনগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় এবং পাটকল ও চিংড়ি শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠনের মাধ্যমে বেতন-ভাতা বৃদ্ধি প্রভৃতি। এছাড়া লবণচোরা, আড়ংঘাটা ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নতুন থানা স্থাপনের দাবিও উত্থাপিত হতে পারে বলে জানা গেছে।