আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশকে সহায়তার নির্দেশ র্যাব-ডিবিকে

ইডেন কলেজের ছাত্রী শারমিন আক্তার আঁখির ওপর এসিড নিক্ষেপ মামলার প্রধান আসামি মনির ও মাসুমকে গ্রেফতারে পুলিশকে সর্বাত্মক সহায়তা দিতে র্যাবের মহাপরিচালক এবং ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম-কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে পুলিশকে ৪৮ ঘণ্টা সময় দিয়ে আদালত বলেছে, ইতিপূর্বে আদালতের বেঁধে দেয়া সময় পার হয়েছে। আবারো সময় দেয়া হলো। এই সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার করতে হবে। ৪৮ ঘণ্টা পর এসে অন্য কোন অজুহাত দেয়া চলবে না। আসামিদের গ্রেফতার সংক্রান্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের পর বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি মাহমুদুল হকের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বুধবার এ আদেশ দেন। এর আগে সকালে বংশাল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবুল হাসান আসামি মনির ও মাসুমকে গ্রেফতারের অগ্রগতির বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দাখিল করলে আদালত দুপুরে তার বক্তব্য গ্রহণ করেন। শুরুতেই আদালত তদন্ত কর্মকর্তার কাছে জানতে চায় যে, আসামিরা কোন প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় আছে কি না? জবাবে আবুল হাসান বলেন, তারা (আসামিরা) কোন প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় নেই। আদালত বলেন, বর্ডার (সীমান্ত) সিল করেছেন কি? জবাবে আবুল হাসান বলেন, আসামিরা যাতে পালিয়ে দেশের বাইরে যেতে না পারে সেজন্য সব স্থানেই চিঠি দেয়া হয়েছে। এছাড়া আমরা সকল ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছি। আশাকরি দ্রুত তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে। এক পর্যায়ে আবেদনকারীর কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থাকে (ডিবি পুলিশ) দায়িত্ব দেয়ার আবেদন জানান। তখন আদালত বলেন, র্যাবকে এর সঙ্গে যুক্ত করলে কেমন হয়? তখন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট অমিত তালুকদার আদালতের এ মতের সঙ্গে একমত পোষণ করলে হাইকোর্ট উপরোক্ত আদেশ দেয়। প্রসঙ্গত গত রবিবার এ সংক্রান্ত ফৌজদারি আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ মনির ও মাসুমকে গ্রেফতারে পুলিশকে ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছিল।