মনপুরায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জারি

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণীঝড়‘ফণী”। আগামী ৩ মে নাগাদ বাংলাদেশের উত্তর-উত্তর পুর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে আঘাত হানতে পারে। বাতাসের গতিবেগ প্রতি ঘন্টায় ৭৪ কিলোমিটার থেকে ১৮০ কিলোমিটার। 

ঘূর্ণীঝড় ‘ফণী’ চট্রগ্রাম থেকে ৯৫৫, কক্সবাজার থেকে ৯২৫ কিলোমিটার, পায়রা বন্দর থেকে ৭৯০ এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৮১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছেন। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। ২৪ ঘন্টা কন্ট্রোল রুম খোলা থাকবে। বাতাসের গতিবেগ বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় সিপিপির কন্ট্রোল রুম থেকে জানা গেছে।

ঘূর্ণীঝড় ‘ফণী’ মোকাবেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বশির আহমেদ সরকারী সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ছুটি বাতিল ও বিভিন্ন দাপ্তরিক প্রধানদের ছুটি বাতিল করার জন্য নির্দেশ দেন। ২৪ ঘন্টা কন্ট্রোল রুম খোলা রেখেছেন। নৌরুটে সকল যানবাহন চলাচল নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সকল চেয়ারম্যান ও জনপ্রতিনিধিদের ডেকে এনে নিকটবর্তী চরাঞ্চলে বসবাসকারী জনসাধারণকে মূল ভুখণ্ডের সাইক্লোন সেন্টারে ওঠানোর জন্য নির্দেশ দেন। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার জন্য বলা হয়েছে। ঘূর্ণীঝড় “ ফণী’ সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য মাইকিং ও ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুনঃ রাজশাহীতে ‘মাদক ব্যবসায়ীদের আইনজীবী’ গ্রেফতার

উল্লেখ্য, ফণীর সতর্কতা হিসেবে সরকারিভাবে সারা দেশের সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

ইত্তেফাক/নূহু