যুবলীগ কর্মীকে পেটানোর
পর কপালে গুলি
প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:৩৩
এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবলীগের এক কর্মীর ওপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে সাভার পৌর এলাকার শচিনগরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা স্থানীয় যুবলীগ কর্মী রেজাউল করীমকে (২২) বেধড়ক পিটিয়ে আহত করার পর তার কপালে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন গুলিবিদ্ধ রেজাউলকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিত্সকরা। এ হামলার ঘটনায় রেজাউলের বোন মুক্তা বেগম বাদী হয়ে সাভার থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মুক্তার হোসেনকে প্রধান আসামি করে মামলা করেছেন। মুক্তা জানান, বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বাজার থেকে ফেরার পথে শচিনগর এলাকায় পৌঁছামাত্র মোক্তার ও তার ভাই মনিরের নেতৃত্বে ১০-১২টি মোটরসাইকেল যোগে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী রেজাউলের গতিরোধ করে। পরে তাকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে এবং কপালে গুলি করে ফেলে রেখে চলে যায়।
পারিবারিকসূত্রে জানা গেছে, গুলিবিদ্ধ রেজাউল সাভারের আমিনবাজার এলাকার জিন্নত আলীর পুত্র। তবে সে পৌর এলাকার বক্তারপুর শচিনগর মহল্লার গোলাম মোস্তফার মেয়ে পারভীনকে বিয়ে করে সেখানেই বসবাস করেন। সাভার নামা বাজারে তার বালুর ব্যবসা রয়েছে। এই ব্যবসা নিয়ে বেশ কিছুদিন আগে মুক্তারের ভাই মনিরের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব হয়। পরে এলাকার মুরুব্বিরা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। এর জের ধরেই এ হামলা হতে পারে। রেজাউলের স্বজনরা এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন।
সাভার এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিত্সক ইফরান আহম্মেদ জানান, রেজাউলের কপালে গুলি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে রেখে চিকিত্সা দেয়া হচ্ছে। সাভার মডেল থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তবে তিনি দাবি করেন, গুলিবিদ্ধ রেজাউল আমিন বাজারের সন্ত্রাসী গ্রুপ গাংচিল বাহিনীর সদস্য। তার বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় হত্যা ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।