জোকস

এক ছোট ছেলে তার বাবার সাথে চোখের ডাক্তারের কাছে গেল। ডাক্তার সবকিছু শোনার পর ছেলেটিকে বললেন, ‘এই যে খোকা তুমি তোমার ডান চোখ বন্ধ রেখে বাঁ-চোখ দিয়ে ওয়ালে টাঙানো ঐ বোর্ডের লেখাগুলো পড় তো।’ কিন্তু দেখা গেল ছেলেটি কিছুতেই তার ডান চোখ কোনটি এটি ঠিক করতে পারছে না। বরং ক্রমাগত দুই চোখই সে একবার খুলছে একবার বন্ধ করছে। হাল ছাড়লেন না ডাক্তার। এবার তিনি ছেলেটিকে আরেকটু সাহায্য করার জন্য বললেন, ‘আচ্ছা ঠিক আছে, ঠিক আছে! এভাবে সমস্যা হলে তুমি তোমার ডান হাত দিয়ে ডান চোখ চেপে ধরে তারপর বাঁ-চোখ দিয়ে দেখার চেষ্টা কর।’ কিন্তু এবারও ডান-বাম গুলিয়ে ফেলল ছেলেটি। অগত্যা ডাক্তার নতুন এক ফন্দি আঁটলেন। তিনি একটি কালো রঙের কাগজে ডান চোখের জায়গায় ফুটো করে সেটি ছেলেটির দিকে এগিয়ে দিলেন। কিন্তু বিধি বাম। এবার সবাইকে অবাক করে দিয়ে কাগজটা হাতে নিয়েই কাঁদতে শুরু করল ছোট্ট ছেলেটি। ডাক্তার অনেক কষ্ট করে ছেলেটিকে থামিয়ে তার কাছে জানতে চাইলেন তার এই কান্নার কারণ। ছেলেটি কোনোমতে কান্না থামিয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়েই বলতে লাগলো, ‘বা রে! আমি আপনার কাছে এলাম ভাইয়ার মতো একটা সুন্দর চশমা আপনি আমাকে দেবেন তাই ভেবে। কিন্তু তা না করে আপনি কি না আমাকে কাগজের চশমা দিচ্ছেন!’ শিক্ষক :পল্টু, এক থেকে একশো পর্যন্ত গোনো তো। পল্টু :অতদূর পর্যন্ত তো পারব না। তবে দশ পর্যন্ত মনে হয় পারব। শিক্ষক :গাধা কোথাকার। ক্লাস টু’তে ভর্তি হয়েছিস অথচ এখনও এক থেকে একশো পর্যন্ত গুনতে পারিস না? বড় হয়ে কী করবি তুই! পল্টু :কেন স্যার। বক্সিংয়ের রেফারি হলে তো আমাকে দশ পর্যন্ত গুনতে পারলেই চলবে। আমি না হায় তাই হবো! মা :তুমি তোমার ছোট ভাইয়ের পেটে লাথি মারলে কেন? ছেলে :আমি তো পেটে মারতে চাইনি। দোষ তো ওরই। ও কেন লাথি মারার সময় হঠাত্ ঘুরে গেল!