শিক্ষার গুণগতমান বজায়
রাখতে হবে
প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:৩২
গত ২৭ ডিসেম্বর জেএসসি ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপণী পরীক্ষার ফল বেরিয়েছে। জেএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪ হাজার ১৫৮ জন এবং প্রাথমিক শিক্ষা সমাপণী পরীক্ষায় জিপি-৫ পেয়েছে ৫ লাখ ৩৩ হাজার ১৪০ জন। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে। সঙ্গে সঙ্গে পাসের হারও বেড়েছে। কিন্তু কয়েকদিন আগের একটা সংবাদ মাথার মধ্যে চিন্তা ঢুকিয়েছে। তা হলো ২০১২ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৫১ হাজার ৪৬৯ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিল তাদের মধ্যে ৫৫ শতাংশ পাস করতেই পারেনি। এদিকে পাসের হার এবং শিক্ষার গুণগতমান নিয়ে কথা উঠেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উন্নত ও সমৃদ্ধশীল জাতি গঠন এবং সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শিক্ষার বিকল্প নেই। কিন্তু ঐ পাসের হার বৃদ্ধি আর জিপিএ-৫ প্রাপ্তি বৃদ্ধির মাপকাঠি নিয়ে উল্লিখিত লক্ষ্যগুলো অর্জন কি সম্ভব হবে? এজন্য দরকার শিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিত করা। বছরের প্রথম দিনে বই পেয়েছে শিক্ষার্থীরা। খুশি ও আনন্দিত তারা। নিত্যকার পাঠদানে এই খুশি এবং আনন্দ থাক বছরময়। আর শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ আনন্দে শিক্ষাদান করুন— এটাই কাম্য। শিক্ষার গুণগতমান বাড়াতে ও বজায় রাখতে বছরের প্রথম থেকেই কার্যকরি পদক্ষেপ গৃহীত হোক— এটাই প্রত্যাশা।
কংকন কুমার সরকার,
সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা