সংবিধান লংঘন করে দুটি অধ্যাদেশ জারি
প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:৩৪
জিয়াউর রহমান ও এইচ এম এরশাদ সরকারের জারিকৃত ১৭২টি অধ্যাদেশের (সামরিক ফরমান) বৈধতা দিতে গিয়ে সংবিধান লংঘন করে আরো দুটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। এই ১৭২টি (সামরিক বিধিমালা) অধ্যাদেশ আকারে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সংসদে অনুমোদন করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ পঞ্চম এবং সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে এসব সামরিক ফরমানের বৈধতাকে অবৈধ ঘোষণা করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২১ জানুয়ারি পৃথক দুটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে ওই ১৭২টি অধ্যাদেশের বৈধতা দেয়া হয়। পরেরদিন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুদ্রণ ও প্রকাশনা শাখা এক সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অধ্যাদেশ দুটি প্রকাশ করে।
সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ‘এক অধ্যাদেশ দিয়ে আরেক অধ্যাদেশ অব্যাহতভাবে বলবত্ রাখা যায় না।’ কিন্তু আলোচ্য দুটি অধ্যাদেশের ক্ষেত্রে তাই করা হয়েছে। যেদিন অধ্যাদেশ জারি করা হয়, রাষ্ট্রপতি তার আগেই সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছিলেন। আজ রবিবার সংসদের অধিবেশন বসার কথা রয়েছে। এদিকে আপিল বিভাগ পঞ্চম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার পুনর্বিবেচনার রায়ে জিয়া এবং এরশাদ সরকারের কোন্ কোন্ অধ্যাদেশ মার্জনা করা হবে তা নির্ধারণের দায়িত্ব সংসদের উপর অর্পণ করেছিল। কিন্তু মন্ত্রিসভার মাধ্যমে খসড়া আইন সংসদে উপস্থাপনের যে সুযোগ ছিল তা অমান্য করে অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে কার্যকর করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ পৃথক দুটি রায়ে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী আইন, ১৯৭৯ এবং সপ্তম সংশোধনী আইন, ১৯৮৬ অবৈধ ঘোষণা করে। তবে আদালত পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে বৈধতা দেয়া কিছু আইন-বিধিবিধান জনস্বার্থে মার্জনা করে দেয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে পুনর্বিবেচনার আবেদন করে সরকার। আদালত কিছু পর্যবেক্ষণসহ পুনর্বিবেচনার আবেদনটি নিষ্পত্তি করে দেয়। পূবের্র আপিল বিভাগ জনস্বার্থে যেসব বিষয় মার্জনা করেছিল পুনর্বিবেচনার আবেদনের শুনানির পর (রিভিউ পিটিশন) বর্তমান আপিল বিভাগ সেসব বিষয় সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষমতা সংসদের ওপর ন্যস্ত করে। এছাড়া পূর্বে যেসব বিষয়ে মার্জনা দেয়া হয়েছিল ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মার্জনার সিদ্ধান্ত বলবত্ রাখে। পরে সরকারের আবেদনক্রমে আপিল বিভাগ আগামী ১৩ জুন পর্যন্ত সময় বর্ধিত করেছে। এই সময়ের মধ্যে কোনগুলো মার্জনা করা হবে সংসদকে তার সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে। কিন্তু আইন মন্ত্রণালয় আইনের খসড়া সংসদে উত্থাপন না করেই রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে পৃথক দুটি অধ্যাদেশ জারি করে। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে জারিকৃত কতিপয় অধ্যাদেশ কার্যকরণ (বিশেষ বিধান) অধ্যাদেশ, ২০১৩ এর (৫) ধারায় বলা হয়েছে, ‘তফসিলভুক্ত অধ্যাদেশ সময়ের অধীনে প্রণীত বিধি, প্রবিধান বা আদেশ, কৃত, কাজ-কর্ম, গৃহীত ব্যবস্থা বা কার্যধারাসমূহ, অথবা প্রণীত, কৃত, গৃহীত বা সূচীত বলিয়া বিবেচিত কাজ-কর্ম, ব্যবস্থা বা কার্যধারাসমূহ এমনভাবে নিষ্পত্তি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে যেন ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হইতে ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ের এই অধ্যাদেশের ধারা ৪ বলবত্ ছিল (প্রসঙ্গত ৪ ধারায় বলা আছে, ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হইতে ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত উভয় দিনসহ) সময়ের মধ্যে জারিকৃত তফসিলে উল্লিখিত অধ্যাদেশসমূহ এমনভাবে কার্যকর থাকিবে যেন উহারা জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন।’ এছাড়া ৫ (২) ধারায় উল্লেখ আছে, ‘তফসিলভুক্ত আদেশসমূহের অধীন দায়েরকৃত কোন মামলা বা সূচীতে কোন কার্যধারা বা গৃহীত কোন কাজ-কর্ম বা ব্যবস্থা নিষ্পন্নাধীন থাকিলে উহা এমনভাবে নিষ্পন্ন করা যাইবে যেন উহা সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশের অধীন দায়েরকৃত বা সূচী বা গৃহীত।’ ৫ (৩) ধারায় বলা আছে, ‘তফসিলভুক্ত অধ্যাদেশসমূহের অধীন কৃত কাজ-কর্ম, গৃহীত ব্যবস্থা বা কার্যধারাসমূহের ফলস্বরূপ কোন প্রতিকার বা করণীয় বাস্তবায়নের স্বার্থে উক্ত প্রতিকার বা করণীয় পদক্ষেপ এমনভাবে বাস্তবায়িত হইবে যেন সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশটি কার্যকর রহিয়াছে।’
অনুরূপ বিধান করা হয়েছে ১৯৭৫ সালের ২০ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত জারিকৃত কতিপয় অধ্যাদেশ কার্যকরণ (বিশেষ বিধান) ২০১৩ এর ক্ষেত্রেও। কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী এক অধ্যাদেশ দিয়ে আরেকটি অধ্যাদেশের কার্যকারিতা অব্যাহতভাবে চালু রাখা যায় না। এ প্রসঙ্গে সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের শর্তাংশে বলা হয়েছে, ‘তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (৯৩) অধীন কোন অধ্যাদেশ এমন কোন বিধান করা হইবে না, (গ) যাহা দ্বারা পূর্ব প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবত্ করা যায়।’ কিন্তু আলোচ্য দুটি অধ্যাদেশকেই অব্যাহতভাবে বলবত্ দেখানো হয়েছে।
সংবিধানের এই ব্যাখ্যার সঙ্গে আইন বিশেষজ্ঞ ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ ল’য়ের শিক্ষক ড. শাহদীন মালিক অভিন্ন মত প্রকাশ করে বলেছেন, একটি অধ্যাদেশ দিয়ে আরেকটি অধ্যাদেশের বৈধতা দেয়া যায় না। এজন্য সংসদে আইন করে বৈধতা দিতে হবে। কিন্তু আমি বুঝতে পারছি না সংসদে যেখানে আইনের খসড়া উত্থাপনের সুযোগ ছিল, সেখানে এ ধরনের একটি ভুল কিভাবে হলো। এগুলোতো রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীর দেখার কথা নয়। যারা এসবের খসড়া প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত থাকেন তাদের উচিত ছিল সংবিধানের নির্দেশনাগুলো ভালো করে খতিয়ে দেখা। তিনি বলেন, এ নিয়ে তাড়াহুড়ারও কিছু ছিল না। আমি যতদূর জানি আপিল বিভাগ আগামী ১৩ জুন পর্যন্ত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য সংসদের ক্ষমতার উপর অর্পণ করেছেন। যখন সংসদের একটি অধিবেশন খুবই নিকটে তখন সংসদকে পাস কাটিয়ে এ ধরনের অধ্যাদেশ জারির প্রয়োজন বা কি ছিল?। তিনি আরো বলেন, এসব করে সবকিছুই লেজেগোবরে করে ফেলা দেয়া হয়েছে। এদিকে আইন বিশেষজ্ঞরা বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছেন, যে কাজটি সংসদের আইন দ্বারা করা যেত সে কাজটি কেন অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে করা হলো। তারা বলেন, যেখানে রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন সেখানে সংসদকে পাস কাটিয়ে এ ধরনের অধ্যাদেশ জারি সংসদের ক্ষমতাকে ক্ষুণ্ন করে।
অধ্যাদেশের মাধ্যমে জিয়া ও এরশাদ সরকারের যেসব আইনের বৈধতা দেয়া হয়েছে সেগুলো হলো-দ্যা গভর্নমেন্ট অফ বাংলাদেশ (সার্ভিসেস) (রিপেল) অর্ডিন্যান্স-১৯৭৫, দ্যা ডিস্ট্রিক্ট এ্যাডমিনিস্ট্রেশন (রিপিল) অর্ডিন্যান্স: ১৯৭৫, দ্যা গভর্নমেন্ট সারভেন্টস্ (রিভিউ অব পেনালটিস), অর্ডিন্যান্স: ১৯৭৫, দ্যা গান্ধি আশ্রম (বোর্ড অব ট্রাস্টি) অর্ডিন্যান্স: ১৯৭৫, দ্যা জাতীয় রক্ষী বাহিনী (এ্যাবসরশন ইন দ্য আর্মি), অর্ডিন্যান্স: ১৯৭৫, দ্যা বিডি ম্যানুফ্যাকচার (প্রহ্যাবিশন) অর্ডিন্যান্স: ১৯৭৫, দ্যা বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট হ্যাটস্ এন্ড বাজারস্ (ম্যানেজমেন্ট) (রিপিল) অর্ডিন্যান্স: ১৯৭৫, দ্যা রেজিস্ট্রেশন (এক্সটেনশন অফ লিমিটেশন) অর্ডিন্যান্স: ১৯৭৫, দ্যা ইউনিভার্সিটিস লস্ এ্যামেন্ডমেন্ট অর্ডিন্যান্স: ১৯৭৫, দ্যা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স: ১৯৭৬, দ্যা ইন্টারন্যাশনাল ফিনান্স করপোরেশন অর্ডিন্যান্স: ১৯৭৬, দ্যা ফার্মেসি অর্ডিন্যান্স: ১৯৭৬, দ্যা ডিলিমিটেশন অফ কনসটিটিউনিস অর্ডিন্যান্স: ১৯৭৬, দ্যা স্টেটুটরি করপোরেশন্স (ডেলিগেশন অব পাওয়ারস্) (রিপিল) অর্ডিন্যান্স: ১৯৭৬, দ্যা এলিনেশন অফ ল্যান্ড (ডিসট্রেসড সারকামসটেন্সস) (রেসটোরেশন) অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা সুপ্রীম কোর্ট জাজেজ (ট্রাভেলিং এ্যালাউনসেস) অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ট্যাক্স অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা এপ্রোপ্রিয়েশন অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা এপ্রোপ্রিয়েশন (রেলওয়েস) অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা ফাইন্যান্স অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা এপ্রোপ্রিয়েশন (সাপ্লিমেন্টারি) অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা বাংলাদেশ জুট কর্পোরেশন (রিপিল) অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা নিউজপেপারস (এ্যানুয়ালমেন্ট অফ ডিক্লারেশন) (রিপিল) অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা চিটাগং পোর্ট অথরিটি অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা মংলা পোর্ট অথরিটি অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা পাবলিক সারভেন্টস ( ম্যারিজ উইথ ফরেন ন্যাশনালস) অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল রিসার্চ ইন্সটিটিউট অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা ইনল্যান্ড শিপিং অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা বাংলাদেশ শিশু একাডেমী অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা চিটাগং হিল ট্রাক্টস ডেভেলপমেন্ট বোর্ড অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা রাজশাহী টাউন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা পুলিশ অফিসার্স (স্পেশাল প্রভিশনস) অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা ন্যাশনাল এগ্রিকালচার অ্যাওয়ার্ড ফান্ড অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা চিটাগং ডিভিশন ডেভেলপমেন্ট বোর্ড অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা ভেস্টেড এন্ড নন-রেসিডেন্ট প্রপারটি (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) (রিপিল) অর্ডিন্যান্স:১৯৭৬, দ্যা বাংলাদেশ ম্যালেরিয়া ইরাডিকেশন বোর্ড (রিপিল) অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা গভর্নমেন্ট অব বাংলাদেশ ( সারভিসেস স্ক্রিনিং) (রিপিল) অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা বাংলাদেশ বিমান কর্পোরেশন অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা এপ্রোপ্রিয়েশন অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা এপ্রোপ্রিয়েশন (সাপ্লিমেন্টারি) অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা ফিন্যান্স অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা এপ্রোপ্রিয়েশন (রেলওয়েস) অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা এপ্রোপ্রিয়েশন (রেলওয়েস সাপ্লিমেন্টারি) অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা মিনিমাম ওয়েজেস (ফিক্সেশন) (রিপিল) অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা সীডস অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা টি অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা রেগুলেশন অব স্যালারি অব ইমপ্লয়েইস ল’জ ( রিপিল) অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরো অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সিস (রেজিস্ট্রেশন এন্ড কন্ট্রোল) অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা হাউজিং এন্ড বিল্ডিং রিসার্স ইনস্টিটিউট অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা রুরাল ইলেকট্রিফিকেশন বোর্ড অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউনটেন্টস অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা ফিন্যান্সিয়াল ইন্সটিটিউশন ল’জ এ্যামেন্ডমেন্ট অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা বাংলাদেশ সেরিকালচার বোর্ড অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা বাংলাদেশ হ্যান্ডলুম বোর্ড অর্ডিন্যান্স:১৯৭৭, দ্যা গভর্নমেন্ট সারভেন্টস (রিভিউ অফ পেনালটিস) (ডিজোলেশন অব রিভিউ বোর্ড) অর্ডিন্যান্স ১৯৭৮, দ্যা প্রিভেনশন অব ম্যালেরিয়া (স্পেশাল প্রভিশনস) অর্ডিন্যান্স ১৯৭৮, দ্যা বাংলাদেশ কাউন্সিল অফ সাইন্টিফিক এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্স অর্ডিন্যান্স:১৯৭৮, দ্যা মাদ্রাসা এডুকেশন অর্ডিন্যান্স-১৯৭৮, দ্যা সুপ্রীম কোর্ট জাজেস (রিমানেরাশন এন্ড প্রিভিলেজ) অর্ডিন্যান্স:১৯৭৮, দ্যা ডিফেন্স সার্ভিস লজস এমেন্ডমেন্ট অর্ডিন্যান্স-১৯৭৮, দ্যা বাংলা একাডেমী অর্ডিন্যান্স-১৯৭৮, দ্যা ফিন্যান্স অর্ডিন্যান্স-১৯৭৮, দ্যা এপ্রোপ্রিয়েশন (রেলওয়েজ সাবপ্রিলিমেন্টারি) অর্ডিন্যান্স-১৯৭৮, দ্যা এপ্রোপ্রিয়েশন (রেলওয়েজ) অর্ডিন্যান্স-১৯৭৮, দ্যা এপ্রোপ্রিয়েশন (সাবপ্রিলিমেন্টারি) অর্ডিন্যান্স-১৯৭৮, দ্যা এপ্রোপ্রিয়েশন অর্ডিন্যান্স-১৯৭৮, দ্যা এশিয়ান রেইনসারেন্স করপোরেশন অর্ডিন্যান্স-১৯৭৮, দ্যা পলিটিক্যাল পার্টিজ অর্ডিন্যান্স-১৯৭৮, দ্যা ফরেন ডোনেশনস (ভলেনটারি এ্যাকটিভিটিজ) রেগুলেশন অর্ডিন্যান্স-১৯৭৮, দ্যা চিটাগাং মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স-১৯৭৮, দ্যা ল’ রিফর্মস অর্ডিন্যান্স-১৯৭৮, দ্যা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডায়েরহোয়েল ডিজেসেস রিসার্চ, বাংলাদেশ, অর্ডিন্যান্স-১৯৭৮, দ্যা এপ্রোপ্রিয়েশন (রেলওয়েজ সাবপ্রিলিমেন্টারি) এ্যাক্ট-১৯৭৯, দ্যা এপ্রোপ্রিয়েশন (রেলওয়েজ) এ্যাক্ট-১৯৭৯, দ্যা এপ্রোপ্রিয়েশন (সাবপ্রিলিমেন্টারী) এ্যাক্ট-১৯৭৯, দ্যা ফিন্যান্স এ্যাক্ট-১৯৭৯, দ্যা এপ্রোপ্রিয়েশন এ্যাক্ট-১৯৭৯, দ্যা গভর্নমেন্ট সার্ভেন্টস (স্পেশাল প্রোভিশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৭৯, দ্যা বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ এন্ড টেলিফোন বোর্ড অর্ডিন্যান্স-১৯৭৯, দ্যা রেলওয়ে প্রোপার্টি (আনলফুল পোসেশনস) অর্ডিন্যান্স-১৯৭৯, দ্যা প্রেসিডেন্টস পেনশন অর্ডিন্যান্স-১৯৭৯, দ্যা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা অর্ডিন্যান্স-১৯৭৯, দ্যা লেডার এন্ড ডেপুটি লেডার অফ দ্যা অপোজিশন (রিমানেরাশন এন্ড প্রিভিলেজ) অর্ডিন্যান্স-১৯৭৯, দ্যা ডিফেন্স সার্ভিসেস (সুপ্রীম কমান্ড) অর্ডিন্যান্স-১৯৭৯, দ্যা আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়ানস অর্ডিন্যান্স-১৯৭৯, দ্যা ফুডগ্রেইনস সাপ্লাই (প্রিভেনশন অফ প্রিজুডিশিয়াল এ্যাকটেভিটি) অর্ডিন্যান্স-১৯৭৯,দ্যা একুইজিশন এন্ড রিকুইজিশন অফ ইমোমভিবল প্রোভার্টি অর্ডিন্যান্স-১৯৮২, দ্যা মেডিক্যাল প্র্যাকটিস এন্ড প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২, দ্যা বাংলাদেশ এ্যাবানডান্ড চিল্ড্রেন অর্ডিন্যান্স-১৯৮২, দ্যা যাকাত ফান্ড অর্ডিন্যান্স-১৯৮২, দ্যা ড্রাগস (কন্ট্রোল) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২, দ্যা স্ট্যান্ডার্ড অফ ওয়েটস এন্ড মেজারস অর্ডিন্যান্স-১৯৮২, দ্যা বাংলাদেশ ফ্লাগ ভ্যাসেলস (প্রোটেকশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২, দ্যা ফিন্যান্স অর্ডিন্যান্স-১৯৮২, দ্যা সুপ্রীম কোর্ট জাজেস (লিভ, পেনসন এন্ড প্রিভিলেজস) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২, দ্যা ইমিগ্রেশন অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২, দ্যা বাংলাদেশ ভেটেনারি প্র্যাকটিশনারস অর্ডিন্যান্স-১৯৮২, দ্যা ফরেন কন্ট্রিবিউশনস (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২, দ্যা আটিয়া ফরেস্ট (প্রোটেকশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২, দ্যা পাবলিক ইমপ্লিয়জস ডিসিপ্লিন (পাংচ্যুয়াল এটেডেন্স) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২, দ্যা হাওর ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (ডিসসলুশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২, দ্যা অফ-শোর আইল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (ডিসসলুশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২, দ্যা ইনস্টিটিউট অফ ইসলামিক এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (রিপেল) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২, দ্যা বাংলাদেশ হোটেলস এন্ড রেস্টুরেন্টস অর্ডিন্যান্স-১৯৮২, দ্যা বাংলাদেশ রুরাল এন্ড ডেভেলপমেন্ট বোর্ড অর্ডিন্যান্স-১৯৮২, দ্যা ফিস এন্ড ফিস প্রোডাক্টস (ইন্সপেকশন এন্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২, দ্যা বাংলাদেশ রেলওয়ে বোর্ড (রিপেল) অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা বাংলাদেশ মার্চেন্ট শিপিং অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা ফিন্যান্স অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা বাংলাদেশ ইরিগেশন ওয়াটার রেইট অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা বাংলাদেশ ইউনানী এন্ড আয়ুর্বেদিক প্র্যাকটিশনারস অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা মেরিন ফিসারিজস অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা ন্যাশনাল আর্কাইভ অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিশনারস অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা প্রাইমারি এডুকেশন (রিপেল) অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা গ্রামীণ ব্যাংক অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা মোটর ভিকেলস অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা চিফ ইলেকশন কমিশনার এন্ড ইলেকশন কমিশনারস (রিমানেরাশন এন্ড প্রিভিলেজ) অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা ন্যাশনাল কারিকুলাম এন্ড টেক্সট বুক বোর্ড অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা সন্তোষ ইসলামিক ইউনিভর্সিটি (বোর্ড অফ ট্রাস্টি) অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা হিন্দু রিলেজিয়াস ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা বুড্ডিস্ট রিলেজিয়াস ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা ক্রিস্টিয়ান রিলেজিয়াস ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা ফরেন ভলেনটারি অর্গানাইজেশন রেগুলেশন অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩, দ্যা বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ নিউক্লিয়ার এগ্রিকালচার অর্ডিন্যান্স-১৯৮৪, দ্যা ল্যান্ড রিফর্মস অর্ডিন্যান্স-১৯৮৪, দ্যা এগ্রিকালচার লেবার (মিনিমাম ওয়েজেস) অর্ডিন্যান্স-১৯৮৪, দ্যা বাংলাদেশ পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং সেন্টার অর্ডিন্যান্স-১৯৮৪, দ্যা বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল এন্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ অর্ডিন্যান্স-১৯৮৪, দ্যা লাইভ স্টক রিসার্চ ইনস্টিটিউট অর্ডিন্যান্স-১৯৮৪, দ্যা ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস (রেগুলেশন) (রিপেল) অর্ডিন্যান্স-১৯৮৪, দ্যা ব্রেস্ট-মিল্ক সাবস্টিটিউটস (রেগুলেশন অফ মার্কেটিং) অর্ডিন্যান্স-১৯৮৪, দ্যা ইনকাম-ট্যাক্স অর্ডিন্যান্স-১৯৮৪, দ্যা বাংলাদেশ উইমেনস রিহ্যাবিলিটেশন এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন (রিপেল) অর্ডিন্যান্স-১৯৮৪, দ্যা নজরুল ইনস্টিটিউট অর্ডিন্যান্স-১৯৮৪, দ্যা ফিন্যান্স অর্ডিন্যান্স-১৯৮৪, দ্যা ফিসারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট অর্ডিন্যান্স-১৯৮৪, দ্যা ডিস্ট্রিক্টস (এক্সটেনশন টু দ্যা চিটাগাং হিল ট্রাক্টস) অর্ডিন্যান্স-১৯৮৪, ভূমি খতিয়ান (পার্বত্য চট্টগ্রাম) অধ্যাদেশ-১৯৮৫, দ্যা পাবলিক সার্ভেন্টস (ডিসমিশাল অন কনভিকশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৮৫, দ্যা ঘোসাল আজম আবদুল কাদের জিলানী মসকো ট্রাস্ট (রিপেল) অর্ডিন্যান্স-১৯৮৫, দ্যা ফ্যামেলি কোর্টস অর্ডিন্যান্স-১৯৮৫, দ্যা বাংলাদেশ ওয়েল, গ্যাস এন্ড মিনারেল করপোরেশন অর্ডিন্যান্স-১৯৮৫, দ্যা সারপ্লাস পাবলিক সার্ভেন্টস এবসরপশন অর্ডিন্যান্স-১৯৮৫, দ্যা গভর্নমেন্ট প্রাইমারি স্কুল টিচারস ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অর্ডিন্যান্স-১৯৮৫, দ্যা গ্রাউন্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট অর্ডিন্যান্স-১৯৮৫, দ্যা ফিন্যান্স অর্ডিন্যান্স-১৯৮৫, দ্যা যমুনা মাল্টিপারপাস ব্রিজ অথরিটি অর্ডিন্যান্স-১৯৮৫, দ্যা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন অর্ডিন্যান্স-১৯৮৫, দ্যা সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অর্ডিন্যান্স-১৯৮৫, দ্যা ইয়ুথ ওয়েলফেয়ার ফান্ড অর্ডিন্যান্স-১৯৮৫, দ্যা খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স-১৯৮৫, দ্যা এ্যাবানডান্ড বিল্ডিংস (সাবপ্রিলিমেন্টারি প্রোভিশনস) অর্ডিন্যান্স-১৯৮৫, দ্যা চিটাগাং শাহী জামে মসজিদ অর্ডিন্যান্স-১৯৮৬, দ্যা অফিসিয়াল ভিকেলস (রেগুলেশন অফ ইয়ুজ) অর্ডিন্যান্স-১৯৮৬, দ্যা ড্রাগস (সাবপ্রিলিমেন্টারি প্রোভিশনস) অর্ডিন্যান্স-১৯৮৬, দ্যা পুলিশ (নন-গেজেটেড ইমপ্লিয়জেস) ওয়েলফেয়ার ফান্ড অর্ডিন্যান্স-১৯৮৬, দ্যা স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স অর্ডিন্যান্স-১৯৮৬, দ্যা ফিন্যান্স অর্ডিন্যান্স-১৯৮৬, দ্যা ডেভেলপমেন্ট বোর্ড লজস (রিপেল) অর্ডিন্যান্স-১৯৮৬, দ্যা পাবলিক করপোরেশন (ম্যানেজমেন্ট কো-অর্ডিনেশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৮৬, দ্যা রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক অর্ডিন্যান্স-১৯৮৬, দ্যা বাংলাদেশ চা শ্রমিক কল্যাণ ফান্ড অর্ডিন্যান্স-১৯৮৬, বাংলাদেশ একাডেমী ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট অর্ডিন্যান্স-১৯৮৬।