৫২ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পণ্য নিম্নমানের

গত দুই মাসে ইফতার ও সেহরির জন্য ব্যবহূত ২৭ ধরনের খাদ্যপণ্যের ৪০৬টি নমুনা সার্ভিল্যান্স টিমের মাধ্যমে বাজার থেকে সংগ্রহ করে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়েছে। এই নমুনার মধ্যে ৩১৩টির ফল পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ৫২টি নিম্নমানের পণ্য। এর মধ্যে দেশের নামীদামি ব্র্যান্ডও রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার শিল্প মন্ত্রণালয়ে ‘পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের মান নিয়ন্ত্রণে বিএসটিআই গৃহীত কার্যক্রম’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এ কথা জানান। আগামীতে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, শিল্প সচিব মো. আবদুল হালিম, বিএসটিআই’র মহাপরিচালক মো. মুয়াজ্জেম হোসাইনসহ শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বিএসটিআই’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তরা উপস্থিত ছিলেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, বিএসটিআই বছর জুড়ে দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা করে থাকে। রমজান মাসের পবিত্রতা রক্ষায় বিশেষ অভিযান জোরদার করা হবে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে বিএসটিআই ও জেলা প্রশাসন যৌথভাবে প্রতিদিন ৩টি, ঢাকা মহানগর ব্যতীত পার্শ্ববর্তী উপজেলা ও জেলা শহরে প্রতিদিন কমপক্ষে ২টি, বিএসটিআই’র ১০টি আঞ্চলিক অফিসের মাধ্যমে প্রতিদিন ১টি করে ১০টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। এছাড়া র্যাবের সাথে যৌথভাবে প্রতিদিন এক বা একাধিক মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় বিএসটিআই প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করবে। এর পাশাপাশি বিএসটিআই’র কর্মকর্তাগণের সমন্বয়ে গঠিত সার্ভিল্যান্স টিমের পরিচালিত অভিযান আরো জোরদার করা হবে।

শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বলেন, রমজান এলেই কিছু ব্যবসায়ী মজুত কম বলে দাম বাড়িয়ে দেয়। ভেজালের প্রবণতাও বেড়ে যায়। যারা অনৈতিকভাবে দাম বাড়াবে এবং খাদ্যে ভেজাল দেবে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।