বাগেরহাটে কাউন্সিলরকে হামলা, দুই বিএনপি নেতার বাড়ি ভাংচুর

বাগেরহাট পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সরদার শামীম আহসান সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার বিকালে শহরের মুনিগঞ্জে নিজ কার্যালয়ের সামনে পূর্ব বিরোধের জের ধরে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক খাদেম নিয়ামুল কাদির (৩১) তাকে পিটিয়ে জখম করেন। মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত কাউন্সিলরকে শনিবার সন্ধ্যায় প্রথমে খুলনায় এবং পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাগেরহাট পৌরসভা প্রতিবাদে আজ সোমবার শহরে আধাবেলা হরতাল আহ্বান করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ শনিবার রাতে খাদেম নিয়ামুল কাদিরের বড়ভাই খাদেম নিয়ামুল বশিরকে (৪২) গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনার জের ধরে রবিবার বেলা ১১টার দিকে বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি খান মুজিবর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের সহস্রাধিক নেতাকর্মী খাদেম নিয়ামুল কাদির ও পৌর বিএনপির সভাপতি শেখ শাহেদ আলীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। এ সময় তাদের ইটের আঘাতে মডেল থানার ওসি (তদন্ত)সহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান, উপ-পরিদর্শক আশিকুর রহমান ও আজগর আলী, কনস্টেবল শিমুল মিত্র ও শামছুর রহমান। রবিবার দুপুরে পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খান হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে শহরে ঝাড়ু মিছিল বের হয়। হামলাকারীকে গ্রেপ্তার ও মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের অপসারণ দাবি করা হয়। শহরে মাইক নামিয়ে আধাবেলা হরতাল এবং পৌর পরিষদের দুই দফা দাবি পূরণ না হলে মঙ্গলবার থেকে শহরে পানি সরবরাহ ও আবর্জনা অপসারণ বন্ধ রাখার কথা প্রচার করা হয়।