এসএসসি পরীক্ষার ইসলাম শিক্ষা
প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০১৩, ১৮:৪৭
ইসলাম শিক্ষা
মুহাম্মদ মিজানুর রহমান
সহকারি শিক্ষক
পিরোজপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়
সৃজনশীল মডেল প্রশ্ন
ক অংশ
১। হামিদ সাহেব তার ঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সময় ইট, বালি,সিমেন্ট ও খোয়ার সাথে তাবিজ ভর্তি একটি সিসি ফ্লোরের নিচে রেখে বললেন , এটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও যাবতীয় বালা মুসিবত থেকে বাড়িটিকে রক্ষা করবে। মাওলানা আব্দুল হালিম হামিদ সাহেবকে তার এই আকিদা সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে বললেন, তোমার এ বিশ্বাস যথার্থ নয়। এটা তাওহিদে বিশ্বাসের পরিপন্থী।
ক.তাওহিদ শব্দের অর্থ কী? ১
খ.তাওহিদে বিশ্বাসী ব্যক্তি কেন সত্কর্মের প্রতি অনুপ্রাণিত হন? ২
গ.হামিদ সাহেবের কাজটি ইসলামের দৃষ্টিতে আদৌ সঠিক হয়েছে কিনা বুঝিয়ে লেখো। ৩
ঘ.‘আল্ল¬াহর প্রতি বিশ্বাসের মূল হলো তাওহিদ’ উক্তিটির বিশ্লে¬ষণ করো। ৪
২.মুমিত চৌধুরী ইমানের মৌলিক বিষয়ে বিশ্বাস করে এবং এই বিশ্বাসের আলোকেই জীবন জাপন করে । কিন্তু তার ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশি জাফর মিয়া তাকদিরে বিশ্বাস করে না। একদিন জাফর মিয়াকে মুমিত চৌধুরী ডেকে বললেন, ইমানের মৌলিক বিষয়ে বিশ্বাস না করলে মুমিন হওয়া যায় না।
ক.আকাইদ শব্দের অর্থ কী? ১
খ.মুসলিম বলতে কী বুঝায়? ২
গ.জাফর মিয়ার কর্মকাণ্ডে শরিআতের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ৩
ঘ.শরিআতের দৃষ্টিতে জাফর মিয়ার এরূপ কর্মকাণ্ডের পরিণতি বিশ্লে¬ষণ করো। ৪
৩. নাহিদ বললো হাদিস ইসলামি শরিয়তের দ্বিতীয় উত্স । তখন নাহিদের বন্ধু হাবিব বললো,আমি ইসলাম শিক্ষার বইয়ে পড়েছি হাদিস শুধু ইসলামি শরিয়তের দ্বিতীয় উত্সই নয়,বরং কুরআন মাজিদের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণও। তখন তাদের ইসলাম শিক্ষার শিক্ষক জনাব জামাল উদ্দিন বললেন, হাদিস অনুসরণ করলে কুরআনকে মেনে চলা হয়। তখন নাহিদ বললো স্যার আপনি ঠিক বলেছেন।মহানবি (স) এর নবুওয়্যাতি জীবনের প্রথম দিকে হাদিস লেখা নিষিদ্ধ ছিলো। তারপরেও অনেক সাহাবি ব্যক্তিগত উদ্যোগে হাদিস লিপিবদ্ধ করে রেখেছিলেন। ইসলামি শরিয়তে হাদিসের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
ক.হাদিস শব্দের অর্থ কী? ১
খ. মহানবি (স) এর নবুওয়্যাতি জীবনের প্রথম দিকে হাদিস লেখা নিষিদ্ধ ছিলো কেন? ২
গ.উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব জামাল উদ্দিন স্যারের উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ণ করো। ৩
ঘ.উদ্দীপকে বর্ণিত হাদিস সম্পর্কিত সর্বশেষ উক্তিটির বিশ্লে¬ষণ করো। ৪
৪.কুরআন মাজিদ নিয়ে দুই বন্ধুর মাঝে কথোপকথন হচ্ছে। প্রথম বন্ধু আরিফ বললো ,যে সময় কুরআন মাজিদ নাজিল হয়, সে সময় কাগজ বা আধুনিক যুগের মতো ব্যাপকভাবে লেখার সামগ্রী ছিলো না।ছিলো না মুদ্রণ ব্যবস্থা ।লেখাপড়া জানা লোকের সংখ্যা ছিলো খুবই কম । তাহলে কী করে বুঝবো কুরআনে মানুষের কথা মিশ্রিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই? তখন দ্বিতীয় বন্ধু সাদিক বললো ,কুরআন সংরক্ষণ ও সংকলনে যে নিখুঁত সর্তকতা ও পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছে তাতে নতুন করে কিছু যুক্ত হওয়া বা বাদ পড়ার সম্ভাবনা একেবারেই অসম্ভব।
ক.কুরআন মাজিদের কোন সূরার অংশবিশেষ প্রথম নাযিল হয়? ১
খ.মহানবি (স) এর জীবদ্দশায় কুরআন মাজিদ কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়? ২
গ.আরিফের ভুল ধারণা দূরীকরণে সাদিক কোন ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে বলে তুমি মনে করো ? সেগুলো তুলে ধরো। ৩
ঘ. সাদিকের বক্তব্য অনুযায়ী কুরআন সংকলনের নিখুঁত পদ্ধতি আলোচনা করো। ৪
খ অংশ আগামীকাল