ক্যাম্পাস তারকা
‘নাটকের কারণে পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছে’
প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ১৭:৪৩
জাতীয় শহীদ মিনারে ‘একটি শহীদ মিনারের ইতিকথা’ নামের পথনাটক উদ্বোধন করলেন কবি নির্মলেন্দু গুণ। খুব ব্যস্ত তিনি। তাই নাটক দেখা হবে না। কিন্তু নাটকের প্রথম সংলাপই তাকে মনোমুগ্ধের মতো বসিয়ে রাখল। নাটক শেষে বুকে জড়িয়ে ধরলেন অভিনেতাকে। কবির চোখে অশ্রু। নির্মলেন্দু গুণের আশীর্বাদধন্য এই অভিনেতার নাম রুবেল। পুরো নাম মোঃ মিজানুর রহমান রুবেল। শুধু অভিনেতা নন তিনি একজন নাট্যকারও।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের মাস্টার্স প্রথম সেমিস্টারের ছাত্র রুবেল। এরই মধ্যে অভিনেতা ও নাট্যকার হিসাবে ক্যাম্পাসে ও সারা দেশে ব্যাপক তারকা খ্যাতি পেয়েছেন।
কিন্তু সদাহাস্য রুবেল বিনয়ী। শুটিংয়ের ব্যস্ততার মাঝেই জানালেন নিজের সম্পর্কে। মুক্তিযুদ্ধ আর সামাজিক অসঙ্গতিই তার নাটক রচনার উপজীব্য। তার লেখা অধিকাংশ নাটকই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা।
তার রচিত নাটক প্রচারিত হয়েছে বিভিন্ন চ্যানেলে। এরমধ্যে একঘণ্টার নাটক-প্রাচীর (এটিএন বাংলা), যুদ্ধ-বীরাঙ্গনা-যুদ্ধ (আরটিভি), শুভ মৃত্যু প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
অভিনেতা রুবেল বলেন, ‘ক্যাম্পাসের শুরু থেকেই আমি মঞ্চনাটকের সাথে যুক্ত। আর এরই মধ্যে প্রচারিত হয়েছে আমার অভিনীত টাট্টু ঘোড়া (একুশে), সুখী লোকের জামা (বিটিভি)। এখন প্রচারিত হচ্ছে ‘বৈরী বাতাস’ (এটিএন বাংলা)। এছাড়া আমার অভিনীত ও রচিত মেগা সিরিয়াল ‘মাতবর’ ও ‘ত্রিভুজ’ প্রচারের অপেক্ষায় আছে।
এতোসব ব্যস্ততার মাঝে পড়াশুনা কিভাবে করেন? এবারো সেই সুন্দর ছেলেমানুষি হাসি দিয়ে উত্তর, ‘পড়াশুনা আর করতে পারি কই? লেখাপড়ার ক্ষতি হচ্ছে। তবে বন্ধুদের পাশে পেয়েছি আমি। ওরাই আমাকে সাহায্য করে।’
শুটিং দেখতে এসেছিলেন তার বিভাগের সহপাঠী রাকিব ফরাজী। রুবেলকে খোঁচা দিতে ছাড়ে না সে। রুবেল কিন্তু আমাকে কোন উপকার করে না। রুবেলও কম যান না। যার কলমে এতো শক্তি, আর অভিনয় সহজাত, তার উত্তর—আমি তোর বন্ধু, দেখিস, একদিন এটাই তোর বড় অর্জন বলে মনে হবে।