অভিনব আবদার!

কেমন হবে যদি কেউ সরকারের কাছে তাদের চুরির অধিকার নিশ্চিত করতে কিংবা চুরি করার বিষয়টিকে বৈধতা দিতে আবেদন করে বসেন! হয়তো ভাবছেন এটা কি মামা বাড়ির আবদার নাকি? তবে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডবি¬উটিও’র কেউ ক্যারিবিয়ার দ্বীপরাজ্য অ্যান্টিগুয়ার সম্পর্কে মামা না হলেও চুরির এমন বৈধতা চেয়ে সম্প্রতি কিন্তু সত্যিই আবেদন জানিয়েছে দেশটি। তবে পার্থক্য হলো এখানে সত্যিকারের চুরির অনুমতি না চেয়ে অনুমতি চাওয়া হয়েছে মেধাসত্ত্ব চুরির। আনুষ্ঠানিক এক আবেদনে অ্যান্টিগুয়া দাবি করেছে যেন এখন থেকে তাদেরকে পাইরেটেড মুভি, মিউজিক অ্যালবাম বা সফটওয়্যার বিক্রি করার অনুমতি দেওয়া হয়। আর এসব কিছুই দেশটির উদ্যোক্তারা করতে চাইছেন বৈধ ওয়েবসাইটের মোড়কে। তবে প্রযুক্তির অগ্রগতি আর দীর্ঘ এক দশক ধরে চলে আসা পাইরেসির কারণে যার পর নাই ক্ষতির স্বীকার হয়েছেন যে উদ্যোক্তারা তারা স্বাভাবিকভাবেই এই দাবির তীব্র বিরোধীতা করেছেন। একই সাথে মেধাসত্ত্ব ভঙ্গের এমন দুঃসাহসী আবেদন করার কারণে উল্টো অ্যান্টিগুয়ার শাস্তিও দাবি করেছেন কেউ কেউ। এদেরই অন্যতম যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে এ উদ্যোগকে সরকার অনুমোদিত পাইরেসি আখ্যা দিয়ে এর বিরূদ্ধে ডবি¬উটিও’তে নালিশ করারও হুমকি দিয়েছে। তবে এতোসব সাত-পাঁচের হিসেবে না গিয়ে অ্যান্টিগুয়ার দাবিটি কিন্তু একেবারেই সাদামাটা! তাদের সাফ কথা, অনেক অনেক আইনের পরও যেখানে গোটা দুনিয়ায় হররোজ ডাউনলোড হচ্ছে লাখ, লাখ পাইরেটেড মিউজিক, মুভি আর সফটওয়্যার; তখন বিষয়টিকে আইনের আওতায় এনে বৈধ করতেই বা বাধা কোথায়। যে আইন কেউ মানছে না সে আইনকে পাল্টে বৈধভাবে এ ধরনের মিউজিক বা মুভি বিক্রির অনুমতি দিলে উল্টো কিছু পয়সা অন্তত পাবেন উদ্যোক্তারা-দাবি অ্যান্টিগুয়ার উদ্যোক্তাদের।