ত্রিশালে সাত মাস ধরে ২২ স্কুলে খাবার বিতরণ
প্রকাশ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২০:৪৬
ত্রিশাল উপজেলার ২টি ইউনিয়নের ২২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছয় হাজার দুই শত পঞ্চাশ জন শিক্ষার্থীকে দুপুরে রান্না করা পুষ্টিকর গরম খাবার দেয়া হচ্ছে। দুবাই কেয়ারস ও গ্লোবাল এলায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশনের ( গেইন) আর্থিক সহযোগিতায় ঐ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে বেসরকারি উন্নয়ন ‘সংস্থা বাঁচতে শেখা’। বাঁচতে শেখা গত জুন মাসে, এই কার্যক্রম শুরু করেছে। তিনদিন ৭০৫ কিলোক্যালরি ও ১৯ গ্রাম প্রোটিন শক্তি মানের বাদাম ছোলা, মিশ্রিত সবজি খিচুরি, তিনদিন ৭১৫ কিলোক্যালরি ও ২০ প্রোটিন শক্তি মানের সবজি ভাত এবং প্রত্যেক মাসের শেষের দিন ৭৩৩ কিলোক্যালরি ও ২০ গ্রাম প্রোটিন শক্তি মানের চিকেন বিরিয়ানী পরিবেশন করা হয়। উক্ত খাবার খেয়ে প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা খুব আনন্দে পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছে।
বাঁচতে শেখার নির্বাহী পরিচালক অ্যাঞ্জেলা গমেজ, সহকারী নির্বাহী পরিচালক প্রদীপ মার্সেল রোজারিও, পরিচালক নজরুল ইসলাম ও প্রকল্প সমন্বয়কারী মোহাম্মদ মফিজুল হক এ প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিচ্ছে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। তাদের সাহায্য করছে অভিভাবকদের নিয়ে গঠিত মাদারস ক্লাবের সদস্যরা। তারা শিক্ষার্থীদের খাবার সরবরাহ এবং থালা ,গ্লাস ধুয়ে দিচ্ছেন।